

নতুন নতুন আইডিয়া আর মেধা দিয়ে এগিয়ে চলছে ইরানের মেডিকেল সায়েন্স।
ইসলামি বিপ্লবের পরে অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে যখন আমাদের মত দেশ থেকে ডাক্তারদের ইরানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ইরানের স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখতে, তখন কে জানতো এই দেশটিই একদিন এভাবে মাথা তুলে বিশ্বের বুকে দাঁড়াতে পারবে।
এইতো করোনাভাইরাস ইস্যুতে, ভাইরাস আসার দু’দিনের মাঝেই ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য স্বাস্থ্য দিক-নির্দেশনা এবং সেবা প্রটোকল ঘোষণা করে। সে দিক-নির্দেশনা যেমন চিকিৎসক এবং নার্সদের জন্য ছিল তেমনি দোকানের রুটি বিক্রেতা অথবা সেলুনে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্যও ছিল।
সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামের ইরানের চ্যানেলগুলো দেখলে বুঝা যায়, তারা কতটা আপডেট। প্রতিদিন রাত হলেও গবেষকদের গবেষণা স্বরূপ নতুন নতুন প্রটোকল প্রকাশ করা হচ্ছে। ছড়িয়ে যাচ্ছে সারা দেশের চিকিৎসকদের মাঝে। পরিবর্তন আসছে জাতীয় প্রটোকলে।
শুনলে অবাক হবেন এমনকি বিভিন্ন প্রদেশে কিছুটা ভিন্ন ওষুধ দিয়ে রোগীদের ওপর গবেষণা চালানো হচ্ছে এটা বুঝার জন্য যে কোন ওষুধগুলো করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বেশি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
একজন চিকিৎসক বলছিলেন এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ব্যবহুত কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র বা ভেন্টিলেটর নিয়ে তারা প্রতিনিয়ত প্রটোকল ঘোষণা করছে।
অন্যদিকে করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট উৎপাদনের পর ইরানের গবেষকরা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন এবং মেডিসিন উৎপাদনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
লেখক: শিক্ষার্থী, ডক্টর অব মেডিসিন, ইস্পাহান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ইরান