

হবিগঞ্জ থেকে
ইতোমধ্যেই বিশ্বের দুইশতাধিক দেশেই একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছে নিরব ঘাতক করোনাভাইরাস। বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে এর আতঙ্ক, দেশে দেশে বিরাজ করছে মহামারি। বাংলাদেশেও এর তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে হবিগঞ্জ জেলাকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। বিজ্ঞজনের পরামর্শে মরণব্যাধি ভাইরাস থেকে বেঁচে থাকার লক্ষ্যে মানুষ সবসময় মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করছে। ইত্যবসরে শায়েস্তাগঞ্জের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় করোনাভাইরাস থেকে রেহাই পেতে অনেককেই মাথা ন্যাড়া করতে দেখা গেছে। এরইমধ্যে অনেকেই একসাথে মাথা ন্যাড়া করে তাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রদর্শণ করছেন, এতে অনেকই তাদের এ ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য প্রশংসা জানাচ্ছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর গ্রামের চাকরিজীবী আকিল হোসেন টিপন মাথা ন্যাড়া করে দলগত ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। এখন লকডাউন অবস্থায় এলাকার সেলুনগুলো খোলা না থাকায় সেইভ ও কেশ কর্তন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শিশু যুবক থেকে বৃদ্ধরাও। নুরপুর গ্রামের আকিল হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে বন্ধুদের সাথে নিয়ে মাথা ন্যাড়া করেছি। এতে গরমে আরাম হবে এবং কেশজনিত ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকেবাঁচা যাবে। এছাড়া শিহাব, সোহাগ, রাসেল, সালাউদ্দিনের মতো অনেক যুবক মাথা ন্যাড়া করেছেন। আর দলবেঁধে ছবি পোস্ট করছেন ফেসবুকে। এদের সবার একই বক্তব্য, চুলের মাধ্যমে যাতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ না হতে পারে তাই তারা মাথা ন্যাড়া করেছেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাথা ন্যাড়া করার জন্য বিশেষজ্ঞদের কোনোরকম পরামর্শ নেই, তবে তারা নিজেদের উদ্যোগে মাথা ন্যাড়া করছেন।