

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা: রোশ ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির নির্মিত করোনাভাইরাস শনাক্তের জন্য অ্যান্টিবডি পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ইংল্যান্ডের জন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (পিএইচই) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষার জন্য তারা কিটটি সংগ্রহের জন্য কাজ করছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এখবর জানিয়েছে। পিএইচই-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিশ্চিত হয়েছেন এই কিটের ফলাফল শতভাগ নির্ভুল।
যুক্তরাজ্যের করোনাভাইরাস গত সপ্তাহে পিএইচই পর্টন ডাউন এর বিশেষজ্ঞরা একটি সতন্ত্র পর্যালোচনা করে রোশ-এর সার্স-কোভ-২ কিটের। তাদের পর্যালোচনায় শতভাগ নির্ভুল ফল এসেছে। এটি খুব ইতিবাচক অগ্রগতি।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন, অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ থেকে প্রতিরোধ ক্ষমতার মাত্রা জানা যায়, তবে তা কতদিন অব্যাহত থাকবে তা নির্দিষ্টভাবে জানা যায় না। যুক্তরাজ্যের একজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এডওয়ার্ড আর্গার বলেছেন, রোশর পরীক্ষা খুব নির্ভরযোগ্য বলে মনে হচ্ছে। রোশ জানিয়েছে, তাদের এই অ্যান্টিবডি কিট দ্বারা পরীক্ষার ফল মাত্র ১৮ মিনিটের মধ্যে জানা যাবে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এই কিট দ্বারা পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে।
বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু ৩ লাখ ছাড়ালো
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা: করোনা সংক্রমণ শুরুর প্রায় সাড়ে চার মাসের মাথায় বিশ্বজুড়ে প্রায় তিন লাখ দুই হাজার আটশ ৮৮ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৪৫ লাখ ১৬ হাজার তিনশ ৮৫ জন।শুক্রবার আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম এ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়। এরপর ধীরে ধীরে ভাইরাসটি বৈশ্বরি মহামারি আকারে বিশ্বের ১৯৬ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ল্ডও মিটারস সংস্থাটির ওয়েবসাইটে দেখা যায়, বিশ্বে করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ লাখ ১৬ হাজার তিনশ ৮৫ জন। এতে সংক্রমিত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩ লাখ দুই হাজার আটশ ৮৮ জন।.বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনা ভাইরাস সম্ভবত কখনোই পুরোপুরি নির্মূল হবে না; একে সঙ্গে নিয়েই বেঁচে থাকা শিখতে হবে মানবজাতিকে। অবশ্য একটি স্বস্তির খবর দিয়েছে ইউরোপিয়ান মেডিসিনস এজেন্সি (ইউএমএ)।
সংস্থাটি বলেছে, আগামী এক বছরের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের কয়েকটি টিকা (ভ্যাকসিন) হাতে চলে আসবে। এদিকে করোনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাজনীতি অব্যাহত আছে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অভিযোগ তুলেছেন, করোনার টিকা তৈরির মার্কিন গবেষণাপত্র চুরির চেষ্টা করছে চীনের হ্যাকাররা। যদিও বেইজিং এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
করোনা সংক্রমণে বিশ্বের প্রায় তিন লাখ দুই হাজার আটশ ৮৮ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৪৫ লাখ ১৬ হাজার তিনশ ৮৫ জন। দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে প্রায় ৮৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অঞ্চল হিসাবে সবচেয়ে মৃত্যু হয়েছে ইউরোপে। সেখানে করোনায় প্রায় এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর আছে উত্তর আমেরিকা। সেখানে মৃতের সংখ্যা ৯৫ হাজার ৭৭০।