নিউজ ডেস্কঃ  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়। ইতিহাসে সত্য না বলাও অপরাধ। আওয়ামী লীগ তাদের তৈরি করা ইতিহাস প্রতিষ্ঠা করতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। যারা দীর্ঘকাল ধরে স্বাধিকার, স্বাধীনতার লড়াই করেছেন, এখন তাদের কারও নাম উচ্চারণ হয় না। এমনকি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, তাজউদ্দীন আহমদ, জিয়াউর রহমানের নামও উচ্চারিত হয় না।”

Manual4 Ad Code

আজ শনিবার ‘ঐতিহাসিক প্রবাসী সরকারের ভূমিকা ও প্রস্তাবিত প্রজাতন্ত্র দিবস’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি এ সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল সমগ্র জাতির আত্মবিকাশের আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সংবিধানকে ছিন্নভিন্ন করে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে তিরোহিত করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করে। যার ধারাবাহিকতা এখনও অক্ষুণ্ন রয়েছে। এ অবস্থায় বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, “সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় রাজনীতির আমূল সংস্কার করে অংশীদারী ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। এ লক্ষ্যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুনির্দিষ্ট দার্শনিক ভিত্তি।”

Manual7 Ad Code

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “গত ৫০ বছরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মহান ভাবাদর্শকে ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে; মুক্তিযুদ্ধের সব স্বপ্নকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ লড়াই করতে হবে।”

Manual1 Ad Code

ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, “দেশ চরম সংকটে। সরকার অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তিদের উপেক্ষা করে সুবর্ণজয়ন্তী আয়োজন করেছে। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”

Manual6 Ad Code

সভায় বক্তব্য রাখেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, সা কা ম আনিছুর রহমান খান, সিরাজ মিয়া ও তানিয়া রব এবং প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।