কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে আগুন, হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১৭ minutes ago

Manual8 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: কানাডার আলবার্টা প্রদেশের ওয়েইনরাইট শহরে একটি সামরিক ঘাঁটিতে আগুনে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে নিহত ও আহতের সংখ্যা এবং তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার বিকেলে কানাডার অন্যতম ব্যস্ত সামরিক ঘাঁটি সিএফবি ওয়েইনরাইটে আগুন লাগে। একটি ‘গুরুতর ঘটনার’ পর আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রবল বাতাসে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ওয়েইনরাইটের রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে সহায়তার জন্য তাদের কাছে ফোন আসে। একইদিন সন্ধ্যায় ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওয়েইনরাইট জেলা কর্তৃপক্ষও প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কথা জানায়। কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগিন্টি এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ঘাঁটিতে একটি ঘটনার জেরে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা কিংবা আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

ম্যাকগিন্টি বলেন, পরিস্থিতি এখনো ‘চলমান ও স্পর্শকাতর’। ঘটনাস্থলে আগুন জ্বলছে এবং শিগগিরই এ ঘটনার তদন্ত শুরু হবে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও আগুনের সূত্রপাত একটি ‘গুরুতর ঘটনা’ থেকে হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি। সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রাদেশিক রাজধানী এডমন্টন থেকে প্রায় ২১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সিএফবি ওয়েইনরাইটের অবস্থান। এটি কানাডার অন্যতম ব্যস্ত সামরিক ঘাঁটি। এখানে কানাডিয়ান ম্যানুভার ট্রেনিং সেন্টার ও থার্ড কানাডিয়ান ডিভিশন ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে। এ ছাড়া, এডমন্টনে অবস্থানরত সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফোর্স ইউনিটগুলোর প্রশিক্ষণও এখানে দেওয়া হয়।ম্যাকগিন্টি জানান, কানাডার সশস্ত্র বাহিনী, কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রাদেশিক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করছে। একইসঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আলবার্টার মুখ্যমন্ত্রী ড্যানিয়েল স্মিথ এ ঘটনাকে ‘গুরুতর ও মর্মান্তিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তার ভাষ্য, এতে কানাডার অনেক সামরিক সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এ ঘটনায় এখনো কোনো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার এবং জরুরি যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সড়ক খোলা রাখার অনুরোধ করেছে। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন না হলে ওয়েইনরাইট স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাকগিন্টি বলেন, ‘মন্ত্রী হিসেবে আমার স্বল্প সময়ের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করতে পারছি না। সাম্প্রতিক সময়েও এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা আমার মনে পড়ে না।’ বিরোধীদলীয় নেতা পিয়েরে পলিয়েভর এক পোস্টে জানান, এ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাকগিন্টি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নির সঙ্গে কথা বলেছেন। জরুরি সেবাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘সবাই ওয়েইনরাইটের জন্য প্রার্থনা করুন।’ সিএনএন জানিয়েছে, এ ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে তারা সামরিক ঘাঁটি, ওয়েইনরাইটের ফায়ার সার্ভিস, আলবার্টার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code