কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ঝুমন দাশ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual8 Ad Code
নিউজ ডেস্কঃ বিতর্কিত হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় আটক থাকা ঝুমন দাশ আপন সুনামগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টা ২০ মিনিটে তিনি মুক্তি পান। কারাগার থেকে বের হয়ে কারা ফটকে থাকা মা নিভা রানী দাশকে সালাম (প্রণাম) করেন ঝুমন। এ সময় মা নিভা রানী ছেলেকে চুম্বন করে গলায় জড়িয়ে ধরেন। ঝুমন দাশ তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যম কর্মী, মানবাধিকার কর্মী, রাজনৈতিক কর্মীসহ তার মুক্তির জন্য সহযোগিতাকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় ঝুমন দাশ বলেন, ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাবরণ করেছেন। আমি সামান্য মানুষ ২০০ দিন কারাভোগ করেছি। সকলের প্রচেষ্টায় বেরিয়ে আসতে পেরেছি। এর বেশি মন্তব্য করতে রাজি হন নি ঝুমন দাশ।

Manual2 Ad Code

মা নিভা রানী দাশ বললেন, আমরা খুশি, ছেলেটি নিঃশর্ত মুক্তি পেলে আরও বেশি খুশি হতাম। গত প্রায় ৬ মাস আতঙ্ক, উৎকণ্ঠায় দিন কেটেছে জানিয়ে নিভা রানী দাশ বললেন, আমরা নিরাপত্তা চাই। পরিবার ও ছেলের নিরাপত্তা দেবার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

Manual3 Ad Code

কারাগার থেকে মঙ্গলবার বেরিয়ে আসার পর ফুলের মালা ও তোড়া দিয়ে ঝুমন দাশকে বরণ করে নেন মা ও স্বজনরা ।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার ঝুমন দাশের জামিন মঞ্জুর করেন। শর্তসাপেক্ষে এক বছরের জামিন দেওয়া হয় ওইদিন ঝুমনকে। এ সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি সুনামগঞ্জের বাইরে যেতে পারবেন না।

সোমবার সকালে একই আদালত তার মুক্তির আদেশে স্বাক্ষর করলে সকল প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ৬ টা ২০ মিনিটে মুক্তি পান ঝুমন।

 

 

Manual7 Ad Code

সুনামগঞ্জ কারাগারের জেলার শরিফুল ইসলাম বললেন, আদালতের আদেশে মঙ্গলবার বিকেলে ঝুমন মুক্তি পেয়েছেন।

Manual7 Ad Code

শাল্লার নোয়াগাঁও গ্রামের ঝুমন দাশের ফেসবুক আইডি থেকে হেফাজত ইসলামের বিতর্কিত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে সমালোচনা করে গত ১৬ মার্চ ফেসবুকে কথিত স্ট্যাটাসের প্রতিক্রিয়ায় হেফাজত ইসলামের সমর্থকরা পরদিন ১৭ মার্চ হিন্দু অধ্যুষিত নোয়াগাঁও গ্রামের ৮৮ বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর করে। গ্রামের ৫টি মন্দিরও ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় তিনটি মামলা হয়। মামলাগুলো তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ। তিন মামলায় গ্রেপ্তার ও আদালতে স্বেচ্ছায় হাজির হওয়াসহ ১১৩ জন আইনের আওতায় এসেছেন। হামলা, লুটপাট ও ভাংচুরের মামলার আসামী ইউপি সদস্য শহীদুল ইসলাম স্বাধীন মিয়াসহ অধিকাংশ আসামী আদালত থেকে ইতিমধ্যে জামিন পেয়েছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code