কাল-পরশুর মধ্যে নতুন পরিকল্পনা-সাদাপাথর লুট নিয়ে সিলেটের ডিসি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

Manual5 Ad Code

সিলেট ডেস্ক:

দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই সিলেটের ভোলাগঞ্জে সাদাপাথর এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘পানিশমেন্ট ইজ নট দ্য অলওয়েজ সলিউশন, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান বলে একটা কথা আছে। তো আমরা দেখি কী করা যায়। এখানে যদি পানিশমেন্টের প্রয়োজন হয়, প্রচলিত যে আইন আছে, সেটা অনুযায়ী হবে। সেটা জেল হতে পারে, জরিমানা হতে পারে, আবার বড় ধরনের শাস্তিও হতে পারে। সুতরাং, এটা দেখতে হবে যে অপরাধের মাত্রা কতটুকু।’

Manual8 Ad Code

সারওয়ার আলম আরও বলেন, ‘আমরা জানার চেষ্টা করছি, আসলে কী অবস্থা ছিল, কতটুকু পাথর নিয়ে গেছে, এখন কী অবস্থা, এটার জন্য এখন কী পরিকল্পনা করা যায়, এই যে পাথরগুলো নিয়ে গেছে, সেটা কোন কোন জায়গায় আছে। দুটা বিষয় আমরা দেখছি—পাথরগুলো যে নিয়ে গেছে, বিভিন্ন জায়গায় লুকাই-টুকাই রাখছে, এই সিলেট অঞ্চল থেকে যাতে আর বাইরে নিয়ে যেতে না পারে।

‘সে জন্য চেকপোস্ট কাজ করছে, সেটাকে আমরা ফোর্সিং করার চেষ্টা করব। ইমিডিয়েটলি আমরা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে নতুন প্ল্যান নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি, অল্প কয়েক দিনের মধ্যে আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। আমরা আগে অ্যাসেসমেন্ট করে নিই, তারপরে আশা করছি, দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।’

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমরা দেখছি যে আসলে কী করা যায়। পুরো বিষয়টা অ্যাসেসমেন্ট করি। প্রথম কথা হলো—এখান থেকে যে পাথরগুলো নেওয়া হয়েছে, সেটাকে আবার উদ্ধার করা এবং পাশাপাশি যারা এটা করেছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।

‘কারণ, এটি বিভিন্ন কমিটি তদন্ত করেছে, তদন্ত রিপোর্ট যারা করেছে, তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এটার সিদ্ধান্ত নেবে যে কার দায় কোনটা ছিল। জেলা প্রশাসক হিসেবে আমার দায়িত্ব হলো, যে পাথরগুলো চুরি হয়েছে, সেগুলো তাড়াতাড়ি রেস্ট্রয় করা। এখানে কারা কারা ইনভলভ ছিল, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা করা।

‘এ রকম ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেটার জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, স্থায়ীভাবে কী সলিউশন করা যায় এটার এবং যারা এই কাজটি করছে, তারা কেন করছে, সেটা আইডেনটিফাই করা। আমাকে সময় দেন, দেখি, কী করা যায়।’

Manual3 Ad Code

সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমরা আগে একটু অ্যাসেসমেন্টটা করি যে, আসলে কোথায় আমাদের উইকনেস ছিল, আছে আর কোথায় কাজ করার সুযোগ ছিল, আছে বা আমাদের তৈরি করতে হবে, কোথায় আমাদের এনফোর্সমেন্ট করতে হবে, সেটা আমরা একটু অ্যাসেসমেন্ট করে নিই, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। একটু সময় আমাদের দেন, আমরা সেটা করব।’

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘এখানে দুটো বিষয়। যেকোনো কাজে একটা জেলাস থাকবে, সাধারণ বিষয়। কিন্তু সবচেয়ে সাধারণ বিষয় হচ্ছে, জনতার যে শক্তি, মানুষের যে শক্তি, এটা হলো বড় বিষয়। এই যে আজকে দেশব্যাপী একটা গণসচেতনতা বা গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে, কেন? কারণ, মানুষজন এটা মাথাভরে নিয়েছে যে কাজটা অন্যায় করেছে এবং সরকার নিয়েছে।

‘সুতরাং, এ সরকার ও জনগণ যখন পাশাপাশি থাকে, তখন এ শক্তির কাছে কোনো গোষ্ঠীগত শক্তির কোনো পাত্তাই থাকে না। সুতরাং, এইটা হলো বড় বিষয়। এই কাজ হয়তো মুষ্টিমেয় কিছু লোকজন করেছে, বৃহত্তর জনগোষ্ঠী কিন্তু এটার অ্যাগেইনস্টে ছিল, সরকারও অ্যাগেইনস্টে। আমরা দেখি, এটাকে কী করা যায়।

‘আমরা আশা করছি, ইনশা আল্লাহ, এটার একটা সলিউশন হবে। উন্নয়ন তো আর এক দিনের বিষয় নয়। এটাতে পরিকল্পনার বিষয় আছে, জনগণের অংশগ্রহণের বিষয় আছে, সক্ষমতার বিষয় আছে। দেখি আমরা আসলে কী করা যায়। সব সমস্যা হয়তো এক দিনে সমাধান করা যাবে না। বাট সময় নিয়ে সমাধান করা সম্ভব।’

Manual2 Ad Code

ডেস্ক: এস

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code