কৃষ্ণসাগরীয় শস্য চুক্তির নেপথ্যে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual4 Ad Code

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: রাশিয়া বলছে ১৮ মে-এর পরে কৃষ্ণসাগরীয় খাদ্যশস্য পরিবহনের চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ‘খুব একটা সম্ভাবনা’ নেই। এই চুক্তির আওতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধকালীন নিরাপদে ইউক্রেনীয় শস্য রফতানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় নিরাপদ করিডোর দিয়ে ইউক্রেনীয় খাদ্যশস্য বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হচ্ছে।

Manual3 Ad Code

জাতিসংঘ কর্মকর্তারা বলছে, এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের বৃহত্তম ও ভয়াবহ যুদ্ধের কারণে বিশ্বের খাদ্য সংকট আরও তীব্র রয়েছে।

গত বছর জুলাই মাসে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির ফলে ইউক্রেনের তিনটি বন্দর থেকে খাদ্যশস্য ও তৈলবীজের রফতানি শুরুর জন্য একটি নিরাপদ সমুদ্র করিডোর তৈরি হয়েছে।

একটি নিরাপদ নৌযান চ্যানেল তৈরির চুক্তির অধীনে ইউক্রেন প্রায় ২৭.৭ মিলিয়ন টন কৃষিপণ্য রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে ১৩.৯ মিলিয়ন ভুট্টা ও ৭.৫ মিলিয়ন টন গম রয়েছে। এটি ২০২২ ও ২৩ মৌসুমে ইউক্রেনের ভুট্টা রফতানির প্রায় ৬০ শতাংশ ও গম রফতানির ৫৬ শতাংশ।

Manual4 Ad Code

ইউক্রেনের অপর রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে রেপসিড, সূর্যমুখী তেল, সূর্যমুখী খাবার ও বার্লি। এসব পণ্যের বেশিরভাগ পৌঁছেছে চীন (৬.৩ মিলিয়ন টন), স্পেন (৪.৮ মিলিয়ন টন) এবং তুরস্ক (৩ মিলিয়ন টন)।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code