কূটনীতিকদের মতে, চীনের লক্ষ্য আসলে ছোট্ট লিথুয়ানিয়া নয়, বরং এর মাধ্যমে পশ্চিমা বিশ্বকে বার্তা দেওয়া। তাইওয়ানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলে চীনের মনোভাব কী হবে সেটাই জানাতে চায় তারা।
ভিলনিয়াসের কার্যালয় খোলার পরই চীনের আমদানি নিষেধাজ্ঞার কারণ দেখে, দু’য়ে দু’য়ে চার করতে অসুবিধা হয়নি আন্তর্জাতিক কূটনীতি বিশেষজ্ঞদের।
Manual5 Ad Code
এদিকে জার্মানির গাড়ি নির্মাতা সংস্থার চীনমুখী জাহাজ থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছে লিথুয়ানিয়ায়। জার্মানি ও ফ্রান্সের সঙ্গে চিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত মসৃণ। ফলস্বরূপ, এই দুই দেশের গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা ও অন্যান্য বহুজাতিক ইতিমধ্যেই লিথুয়ানিয়ার উপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে।
Manual4 Ad Code
