ক্যাপিটলে দাঙ্গায় ট্রাম্পের উসকানি ছিল: রিপাবলিকান সিনেটর

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual8 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

Manual8 Ad Code

রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিনস বলেছেন, গত ৬ জানুয়ারি মার্কিন ক্যাপিটলে দাঙ্গায় তত্কালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উসকানি ছিল। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। গতকাল রবিবার সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি এ কথা বলেন। রিপাবলিকান দলে ট্রাম্পের এই শাস্তিযোগ্য অপরাধের বিষয়টি যে কয়জন আইনপ্রণেতা তুলে ধরতে আগ্রহী তাদের একজন হলেন মেইনের সিনেটর সুসান কলিনস।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প উসকানি দিয়েছেন। দাঙ্গাকারীদের হামলা করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। দাঙ্গাকারীরা চিত্কার করে বলেছিল—‘আমাদেরকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পাঠিয়েছেন’। এ কারণে ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসন বিচারে তাকে অভিযুক্ত করে ভোট দিয়েছিলাম। যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলার ঘটনা তদন্তে যে ধরনের দ্বিদলীয় কমিশন হয়েছিল, ক্যাপিটলে দাঙ্গায়ও সে ধরনের একটি কমিশন গঠনে তার সমর্থন রয়েছে বলেও জানান। যদিও এ সংক্রান্ত বিলটি কংগ্রেসে আটকে গেছে।

 

Manual1 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

Timeline of the 2021 United States Capitol attack - Wikipediaএদিকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ১ লাখ কোটি ডলারের অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বিলটি রবিবারই মার্কিন সিনেটে উত্থাপিত হতে পারে বলে জানান কলিনস। এই বিলের ব্যাপারে দুই দল আলোচনার পর একটি ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

কিছু সংশোধনী আনার পর বিলটি চলতি সপ্তাহেই সিনেটে অনুমোদন পেতে পারে বলে তিনি জানান। তিনি আশা করেন, এই বিলে প্রয়োজনীয় ১০ জন রিপাবলিকান সিনেটর সমর্থন দেবেন। একই অনুষ্ঠানে পৃথক সাক্ষাত্কারে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জো মানচিন বলেন, বিলটি রবিবার উত্থাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
টপ নিউজসিলেট বিভাগ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code