সিলেট মহানগরীর উত্তর টিলাগড় এলাকায় অবস্থিত ‘গ্রীণভ্যালি ফ্রুটস্ মিউজিয়ামে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির ফলের পাশাপাশি চাষ করা হয়েছে আরব দেশীয় ফল ত্বীন এবং যাইতুন।
সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশেও বানিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ শুরু হয়েছে ত্বীন ও যাইতুন ফলের।রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারে এবং উত্তরবঙ্গের নানা স্থানে গড়ে ওঠেছে “ত্বীন ও যাইতুন ফলের বিস্তৃত বাগান।
ত্বীন ফল মূলতঃ আরব দেশীয় একটি মজাদার এবং গুরুত্বপূর্ণ ফল। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে রয়েছে এর ব্যাপক চাহিদা এবং কদর। এ ফল রফতানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রাও আয় করা সম্ভব। ত্বীন’ ফলের আরেক নাম মিশরীয় ডু্মুর। হাল আমলেও মিশরে সুস্বাদু, অর্থকরী ও মর্যাদাবান এ ফলের ব্যাপক চাষাবাদ হচ্ছে। সেদেশে উৎপাদিত ‘ত্বীন’ যাচ্ছে আজ পৃথিবীর দেশে দেশে।
মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে ”আত্ ত্বীন” নামে একটি সুরা রয়েছে। এটা পবিত্র কুরআনের ৯৫ নং সুরা। আর কুরআনুল করিম-এর শেষ পারার ১৮ নং সুরা। এর নামকরণ হয়েছে সুরাটির প্রথম আয়াতের প্রথম শব্দ থেকে। সুরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। মুফাসসিরে কেরামগণের মতে, বিষয়বস্তু থেকে প্রমাণিত হয় যে, এ সুরাটি মক্কী যূগের শুরুর দিকে নাযিল হয়েছে, যখন বিরোধিতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো।
গ্রীণভ্যালি ফ্রুটস মিউজিয়াম-এ মাত্র আট মাস পর্বে রোপণ করা হয় অন্যান্য ফলের চারার সাথে ‘ত্বীন ও যাইতুন’- এর চারা। প্রথম বছরেই ৪টি ত্বীন এবং ২ টি ‘যাইতুন’ গাছে ফুল ও ফল এসেছে। গাছের বয়স ও আকার এখনও ছোট্ট থাকায় প্রথম বছর ফলের সংখ্যাও নগণ্য। সবকিছুর পরেও পরম করুণাময় মহান স্রষ্টার দরবারে অনিশ্বেষ শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ !!