চরফ্যাশনে গ্রাম পুলিশের ভাতা আত্মসাৎ : তদন্তে জেলা প্রশাসক
লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago
Manual6 Ad Code
আমিনুল ইসলাম, চরফ্যাশন প্রতিনিধি৷৷
ভোলা চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহকারী মনির আলমের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের যাতায়াত ভাতা আত্মসাৎ করার অভিযোগ বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর, গতকাল ভোলা জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দিক তদন্তে চরফ্যাশন এসেছেন৷
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন এ বিষয়ে সততা নিশ্চিত করে সংবাদ কর্মীদের বলেছেন, আমার নিকট এক চৌকিদার এসে বলেছেন ২হাজার ৪শত টাকা কম পেয়েছেন৷ আমি তাদের মধ্যে যে ক’জন টাকা কম পেয়েছে সকলকে লিখিত ভাবে জানাতে বলেছি৷ তাহলে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো৷
বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার সময় চরফ্যাশন উপজেলা হলরুমে এ তদন্তের আয়োজন করা হয়৷ হলরুমে উপস্থিত সকলের সম্মুখে গ্রাম পুলিশদের টাকা কম দেয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ভোলা জেলা প্রশাসক মহোদয়৷ উত্তরে সকল গ্রাম পুলিশ একযোগে বজ্র কন্ঠে, হাত তুল বলেছেন টাকা কম পাইনি, টাকা কম দেয়নি৷
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন, অভিযুক্ত মনির আলম, চরফ্যাশন উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ও জেলা-উপজেলার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন৷
জনা যায়, গত ০৫ ডিসেম্বর চরফ্যাশন উপজেলার প্রায় ২শত গ্রাম পুলিশের ২২ মাসের যাতায়াত ভাতা থেকে ইউএনও’র অফিস সহকারী মনির আলম জনপ্রতি ২ হাজার ৪ শত টাকা রেখে ২৪ হাজার টাকা দিয়েছেন৷ বিষয়টি কিছু কিছু গ্রাম পুলিশ সাংবাদিকদের নিকট মুখ খুললেও অনেকেই বলতে চায়নি৷ গণমাধ্যমে টাকা আত্মসাদের বিষয়টি প্রকাশ হলে ২-৪ দিনের মধ্যে প্রতি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের প্রধান কে ডেকে এনে ইউএনও’র সহকারী মনির আলম সকলের টাকা ফেরত দেন৷ যার প্রমানের জন্য একাধিক গ্রাম পুলিশের এমন উক্তি মোবাইলে রেকর্ড করে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে৷
চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন স্টেডিয়াম মার্কেটের এক ব্যবসায়ি এ প্রসঙ্গে বলেন, চৌকিদারগণ চা খেতে এসে বলেছে যে, তাদের চাকরি সরকারি হবে তাই টাকার কথা সত্য শিকার করলে কাগজপত্র সঠিক সময়ে মন্ত্রণালয় নাও যেতে পারে৷