চামড়ার দরপতন, দায় কার?

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual3 Ad Code

সম্পাদকীয়: দেশেরসম্ভাবনাময় শিল্প চামড়া শিল্প। পোশাক শিল্পের পরই রফতানি আয়ের দিক থেকে চামড়া শিল্পকে বিবেচনা করা হয়। ২০১৭ সালে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর করে হেমায়েতপুরে ধলেশ্বরী নদীর তীরে নেয়া হয়। এই শিল্পনগরীতে ১৫৪টি ট্যানারি রয়েছে এবং এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ১২৫টি। পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরী গড়ে তুলতে ২০১৪ সালের শুরুতে চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। সিইপিটি নির্মাণের জন্য লক্ষ্যমাত্রা দেড় বছর ধরা হলেও গত ছয় বছরেও এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। প্রকল্পটি শেষ করতে ইতোমধ্যে ১৪ বার সময় নেয়া হয়েছে। সবশেষ সময় পার হয়েছে গত জুন মাসে। তারপরও বহু প্রত্যাশিত এই সিইপিটির কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে ট্যানারিগুলোর বর্জ্য ধলেশ্বরী নদীতে ফেলা হয়। শিল্পনগরীতে সিইপিটি না থাকায় দেশের চামড়া শিল্প বৈশ্বিক সংস্থার মান সনদ অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। ফলে বাংলাদেশ এখনও লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং আন্তর্জাতিক মান সংস্থা (আইএসও) থেকে কোনো সনদ পায়নি। কোনো দেশের এই সনদ না থাকলে সেদেশের পণ্য আন্তর্জাতিক ক্রেতারা আমদানি করতে উৎসাহ দেখায় না। ফলে বিশ্ববাজারে আমাদের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এতে করে চামড়া শিল্পের আধুনিকায়ন ও রফতানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধক হল এ শিল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের ঘাটতি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code