চিনির বাজার মনিটরিং করতে নামছে কর্তৃপক্ষ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual8 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: অবশেষে চিনির বাজারে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। উৎপাদিত চিনি কোথায় যায়, কারা কী পরিমাণ চিনি আমদানি করছে, কী পরিমাণ বাজারজাত করছে, কাদের কাছে বিক্রি করছে, কতো পরিমাণ মজুদ করছে- গোয়েন্দারা এসব তথ্য সংগ্রহে মাঠে কাজ শুরু করেছেন। দেশের তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা রাজধানীসহ দেশের বড় পাইকারি বাজারগুলোয় এ নিয়ে কাজ করছেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গোয়েন্দাদের এ কার্যক্রম চলবে বলেও জানা গেছে।

ইতোমধ্যে দেশের সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চিনির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

Manual8 Ad Code

সূত্র জানিয়েছে, ঢাকার বাজারে ১০ দিনের ব্যবধানে খোলা চিনির দাম কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর বাজারে খোলা চিনির দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। ঈদের আগে বাজারে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ছিল সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা। খোলা চিনি কিছুটা পাওয়া গেলেও প্যাকেটজাত চিনি মিলছে না বাজারে।

Manual2 Ad Code

মিলমালিকেরা বলছেন, দেশে চিনির কোনও সংকট নেই। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেশি। এ অবস্থায় গতকাল চিনিকলের মালিকেরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এক চিঠির মাধ্যমে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন চিঠিতে বলেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চিনি আমদানি নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।

Manual8 Ad Code

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা। বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চিনি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত মাসে সরকার প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ১০৪ টাকা বেঁধে দিয়েছিল। সবশেষ গত ৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় দেশের বাজারেও সমন্বয় করতে তিন টাকা কমিয়ে খোলা চিনি ১০৪ ও প্যাকেটজাত ১০৯ টাকা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তবে দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই দাম আরও বেড়েছে।

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দেওয়া সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চিঠিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি টন অপরিশোধিত চিনির দাম ৬৭৫ মার্কিন ডলার। অথচ এক মাস আগেও তা ছিল ৫২০ ডলার। এই বাস্তবতায় চিনি আমদানির ঋণপত্র খুলতে ‘ভীতির সম্মুখীন’ হচ্ছেন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। কারণ, বর্তমান দামে চিনি আমদানি করলে তাতে প্রতি কেজিতে সব মিলিয়ে খরচ পড়বে ১৩১ টাকা।

চিনির বাজার পরিস্থিতি ও ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণে সম্প্রতি মিলমালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code