চোরাচালান ছেড়ে সবজি চাষে আগ্রহী

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

বেনাপোল (যশোর) :
যশোরের শার্শা সীমান্তের রুদ্রপুর গ্রামে চোরাচালানের কারবার ছেড়ে সবজি চাষে ঝুঁকেছেন অনেকে। গ্রামটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় চোরাচালানের সাথে জড়িয়ে পড়ে গ্রামের অধিকাংশ লোকজন। ভারতীয় গরু টানার কাজসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান কাজের সাথে জড়িত ছিলেন।
মিথ্যা মামলায় জর্জরিত গ্রামবাসীর অনেকেই এখন তাদের চোরাচালান পেশা ছেড়ে ফিরে এসেছে সবজি চাষে। সবজি চাষ করে এখন তারা স্বাবলম্বী এবং সুস্থ জীবন যাপন করছেন। বদলে নিয়েছেন তাদের জীবন।

সীমান্তের ২শ গজের ভেতরে পাটসহ কোনো উঁচু গাছ বা ফসল লাগানো নিষেধ রয়েছে বিজিবির। তাই তারা সীমান্তের ধার ঘেঁষে এখন পটল, উচ্ছে, বেগুন, কাঁচা,টমেটো, মরিচসহ নানান ধরনের সবজির চাষ করছেন। তবে পটল চাষে মানুষের আগ্রহ বেশি।

Manual5 Ad Code

পটল চাষি আলিম জানান, তিনি ১২ কাঠা জমিতে পটল, নালার ধার ঘেঁষে পিয়াজ ও রসুন লাগিয়েছেন আর আইলের ধারে বাঁধাকপি লাগিয়েছেন। এবছর প্রথম তিনি ৯০ টাকা কেজি দরে পটল বিক্রি করেছেন। পটল চাষে তার খরচ খুব একটা বেশি হয়নি। গত বছর এই জমিতে তিনি প্রায় এক লাখ টাকার পটল বিক্রি করেছিলেন।

Manual4 Ad Code

রুদ্রপুর ক্যাম্পের পূর্বপাশ থেকে খালমুখ পর্যন্ত সীমান্ত সংলগ্ন সারা মাঠেই পটলের চাষ। ক্যাম্পের পশ্চিম পাশের সীমান্ত সংলগ্ন সব জমিতে একই কায়দায় পটলের চাষ চলছে। ফলে চোরাচালান ও গরু টানা কাজে আর কেউ যেতে চাইছেন না। তাদের জীবন কাটছে এখন সুস্থভাবে।

Manual5 Ad Code

শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (তদন্ত) সুকদেব রায় জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও গরু পাচার বন্ধে বিজিবির পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সীমান্তের মানুষকে সভার মাধ্যমে সচেতন করে গড়ে তোলা হচ্ছে। এখন আর কেউ গরু আনতে ভারত সীমান্তে যাচ্ছেন না। ফলে সীমান্তে গোলাগুলিও নেই।

শার্শা উপজেলার কৃষিকর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার জানান, শার্শা সীমান্তে যারা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত তাদের অধিকাংশই এখন সবজি চাষে মাঠে কাজ করছেন। সবজিসহ বিভিন্ন চাষাবাদে মনোযোগী হয়েছেন। তবে চাষাবাদের জন্য তাদেরকে সার্বিকভাবে সাহায্য ও সহযোগীতা করা হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code