

বিশেষ প্রতিবেদন: নির্মাণাধীন ভবন ও ছাদ-বাগান ডেঙ্গুর প্রবণতা বাড়ার অন্যতম কারণ— বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের অভিযানে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এডিস মশার লার্ভা যেসব স্থানে বেশি পাওয়া গেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ওই দুটি স্থান।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৩টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো হলো- ১, ১১, ১৪, ১৬, ১৯, ২০, ২১, ২৪, ২৮, ৩৩, ৩৪, ৩৫ ও ৩৯নং ওয়ার্ড। জরিপে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো- ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ৩৪, ৩৮, ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৮ ও ৫১নং ওয়ার্ড।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৩টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো হলো- ১, ১১, ১৪, ১৬, ১৯, ২০, ২১, ২৪, ২৮, ৩৩, ৩৪, ৩৫ ও ৩৯নং ওয়ার্ড। জরিপে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো- ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ৩৪, ৩৮, ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৮ ও ৫১নং ওয়ার্ড
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের মশকনিধন কার্যক্রমে দায়িত্বে থাকা আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, সিটি কর্পোরেশনে মশকনিধন সংশ্লিষ্টরা ছুটির দিনসহ প্রতিদিনই নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় ওষুধ, ফগিং করা ছাড়াও মাইকিং করে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। মাঝেমধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটসহ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযান পরিচালনার সময় আমরা দেখতে পাই নির্মাণাধীন যত ভবন আছে সেগুলোতেই মূলত এডিস মশার লার্ভা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। সেই সঙ্গে ছাদ-বাগান যারা নিয়মিত পরিচর্যা করছেন না, সেসব বাগানের স্বচ্ছ পানিতেও প্রচুর পরিমাণে লার্ভার অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। এসব স্থানের বিষয়ে যদি সাধারণ মানুষ সচেতন না হন তাহলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।