জৈন্তাপুরে লাল শাপলা বিনাশ করে ধান রোপণ, কর্তৃপক্ষ নীরব

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code
নিউজ ডেস্কঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার অন্যতম ও পর্যটকদের প্রধান আর্কষণ লাল শাপলার ৪টি বিল। বিলের হরফকাট ও কেন্দ্রী বিলের বিভিন্ন অংশ দখল করে লাল শাপলা ধ্বংস করে ভূমিখেকো চক্রের সদস্যরা জমি দখলে অপতৎপরতা চািলিয়ে ধান রোপণ করলেও সংশ্লিষ্ট উপজেলা পর্যটন কমিটি নিরব ভূমিকা পালন করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার পর্যটনের অন্যতম স্থান হচ্ছে ডিবির হাওর লাল শাপলার ৪টি বিল।

Manual7 Ad Code

২০১৫ সাল হতে হরফকাটা বিল, ইয়ামবিল, কেন্দ্রীবিল ও ডিবিবিলসহ এই ৪টি বিল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে পর্যটকদের জন্য আর্কষণীয় করা তোলা হয়।

Manual8 Ad Code

পরবর্তীতে ২০১৬ সাল হতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা লাল শাপলার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ঢল নামে। সম্প্রতি ভূমিখেকো চক্রের সদস্যরা ইতোমধ্যে কেন্দ্রীবিলের প্রায় ৫০ একর ভূমি সুকৌশলে দখল করে নানা প্রকারের ফসল আবাদ করছে।

অপরদিকে কেন্দ্রীবিলের বর্তমান লাল শাপলা অংশের প্রায় ১০ একর জায়গা দখল করে ধান রোপণ করছে।

হরফকাটা বিলের মধ্য অংশ দখল করে ধান রোপণ অব্যাহৃত রেখেছে। ধান রোপণ কার্যক্রম চলমান রাখা হলে আগামী ১০ হতে ১৫ দিনের মধ্যে হরফকাটা বিলটি সম্পূর্ণ রূপে বিলীন হয়ে যাবে এবং লাল শাপলা চিরতরে বিলটি হতে বিলুপ্ত ঘটবে।

পর্যটন ও পুরার্কীতি উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, বিলগুলোর কারণে আজ জৈন্তাপুর উপজেলার পরিচিতি বিশ্ববাসীর কাছে নতুন করে স্থান পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতার কারনে আজ লাল শাপলা বিলুপ্ত করা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট মহলের অবৈধ দখলের হাত হতে ৪টি বিল রক্ষা করার জোর দাবী জানাচ্ছি। ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে, বিল রক্ষার জন্য অচিরেই আমরা সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানব বন্ধনের ডাক দিব।

Manual1 Ad Code

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, স্থানীয় কয়েকজন আমাকে বিষয়টি অবগত করেছেন আমি উপজেলা পর্যটন কমিটিকে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেছি।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূসরাত আজমেরী হক বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code