জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নয়াদিল্লিতে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালু

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

Manual4 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জ্বালানি ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানানোর পর দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লিতে আজ বৃহস্পতিবার সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ (ঘরে বসে কাজ)-সহ একাধিক জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

নয়াদিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বরাতে এএফপি জানায়, ৯০ দিন মেয়াদি এই বিশেষ অভিযানের আওতায় সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি খরচ ও যাতায়াত কমানো হবে। সেই সাথে এই মেগাসিটির বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী দূর থেকে কাজ করতে সক্ষম, তারা সপ্তাহে দুই দিন ঘরে বসে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করবেন। একই সাথে বেসরকারি খাতও যাতে স্বেচ্ছায় এই নিয়ম অনুসরণ করে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

Manual7 Ad Code

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে রেখা গুপ্তা বলেন, ‘দিল্লির জনগণের প্রতি আমাদের আবেদন, আমাদের প্রত্যেকেরই সপ্তাহে অন্তত একদিন ‘যানবাহনবিহীন দিন’ (নো-ভেহিকল ডে) পালন করা উচিত।’

Manual8 Ad Code

তিনি আরও জানান, অন্যান্য সাশ্রয়ী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে আগামী তিন মাস সরকারের সব বড় ধরনের গণ-আয়োজন বা আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান বাতিল থাকবে এবং আগামী এক বছর সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরনের বিদেশ সফর স্থগিত থাকবে। এ ছাড়া আগামী ছয় মাস দিল্লি সরকার নতুন কোনো পেট্রোল, ডিজেল, সিএনজি বা হাইব্রিড গাড়ি কেনা বন্ধ রাখবে।

Manual3 Ad Code

এর আগে গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় হওয়া বৈদেশিক মুদ্রা (বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ) সাশ্রয় করার জন্য জ্বালানি ব্যবহারের ওপর এই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচানোর ওপর জোর দিতে হবে, কারণ বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেল অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।’

Manual1 Ad Code

উল্লেখ্য, যুদ্ধের প্রভাবে ভারতের নিজস্ব মুদ্রা রুপির মান কমে যাওয়া ঠেকাতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে নয়াদিল্লি ইতোমধ্যে সোনা ও রুপা আমদানির ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code