ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রক্ষাই বড় চ্যালেঞ্জ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual6 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: প্রকাশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করার নীতি থেকে সরে এসেছে সরকার। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন প্রকাশ্যে দেশটির প্রতি উষ্মা প্রকাশ করলেও সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বন্ধু’ এবং তাদের ভালো সুপারিশ বিবেচনা করার কথা বলছেন। মন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার বোঝা যায়।

সরকারের এই ইতিবাচক আচরণকে সমীচীন বলে মনে করেন সাবেক কূটনীতিকরা। তাদের মতে, কূটনীতিতে ন্যারেটিভ এবং তার আর্টিকুলেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে জনসাধারণের মনোভাব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে। তবে লক্ষণীয় যে ন্যারেটিভ যেন ধারাবাহিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তাদের মতে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বিভিন্ন ইস্যুতে মতদ্বৈধতা হবে, এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু সম্পর্কোন্নয়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রকাশ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।

Manual6 Ad Code

এ বিষয়ে সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে ওঠানামা থাকবে। এর কারণ হচ্ছে, একেক দেশের জাতীয় স্বার্থ একেক ধরনের। দুই পক্ষের স্বার্থ যদি এক জায়গায় মিলে যায়, তবে সেটি ভালো। কিন্তু যদি না মেলে, তবে পরিপক্বভাবে দ্বৈতমত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আবশ্যকতা আছে।’

তিনি বলেন, ‘ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্ব আছে। মতে মিলের কারণে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন, কিন্তু মতের অমিল বা জাতীয় স্বার্থে দ্বন্দ্বের সময়ে প্রকাশ্যে উদ্দেশ্যমূলক সমালোচনা করা হলে ভুল বার্তা দেওয়া হয়। এর ফলে অন্য দেশ বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নাও নিতে পারে। মনে রাখতে হবে, কোনও দেশের সঙ্গে আমাদের বৈরী সম্পর্ক নেই।’

Manual7 Ad Code

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, ২০১৬ সালে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিন পিংয়ের ঢাকা সফরকে অনেক রাষ্ট্র ভিন্ন চোখে দেখেছে। ওই সময়ে তাদের আমরা দুটি বার্তা দিয়েছিলাম। প্রথমত, ওই সফর বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন এবং দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ এমন কোনও পদক্ষেপ নেবে না, যেটি তাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সবাই বিষয়টি খুশি মনে মেনে নিয়েছিল, এমন নয়। তবে কেউ প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেনি।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code