নিউজ ডেস্কঃ তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে আবারও রেকর্ড-সংখ্যক চীনের যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশ করেছে। এর মধ্যে বোমারু বিমানও রয়েছে। তাইওয়ানের দাবি, গত রবিবার তাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশ প্রতিরক্ষা জোনে ৩৯টি যুদ্ধবিমান শনাক্ত করা গেছে। দ্বীপটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩৪টি ফাইটার বিমানের পাশাপাশি ‘এইচ-৬’ বোমারু বিমানও ছিল।
চীনের বিমানগুলো তাইওয়ান নিয়ন্ত্রিত পাতাস দ্বীপের উত্তর-পূর্ব দিকে উড়ছিল বলে দাবি করছে তাইওয়ান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক টুইটে আরো জানিয়েছে, তাত্ক্ষণিকভাবে রেডিও সিগন্যাল জারি করা হয়| সতর্কতার অংশ হিসেবে তাইওয়ান নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্হা মোতায়েন করে। ফের বিমান অনুপ্রবেশের ঘটনায় বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
২০২১ সালের অক্টোবরের পর রবিবারের ঘটনাটি সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশ বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই সময় তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা এলাকায় ৫৬টি চীনের বিমান অনুপ্রবেশ করে। এর পরের মাসে ২৭টি। এমন অবস্হায় চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের সামরিক উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে চীন। কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র বলে দাবি করে থাকে। তাইওয়ানকে যে কোনো মূল্যে চীনের সঙ্গে একীভূত করা হবে বলে সম্প্রতি অঙ্গীকার করেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বেইজিং ধারাবাহিকভাবে তাইওয়ানকে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপের মুখে ফেলেছে। প্রতিনিয়ত তাইওয়ানের আকাশে চীনা যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই বেইজিংয়ের ১৪৯টি সামরিক বিমান টহল দিয়েছে তাইওয়ানের আকাশসীমায়।
