

ডেস্ক রিপোর্ট: অভিবাসী কর্মীদের পরিবার রেমিট্যান্সের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। রেমিট্যান্সের অর্থ দিয়ে দৈনন্দিন ব্যয় এবং বিনিয়োগ উভয়কাজেই সিদ্ধান্ত নিতে তারা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। তাদের কাছে সংঘবদ্ধ আর্থিক কোনও পরিকল্পনা থাকে না। আর্থিক সাক্ষরতার দিক বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মীরা অনেক পিছিয়ে। আর্থিক শিক্ষা না থাকায় সঞ্চয়, বিনিয়োগ সম্পর্কে ধারণা তাদের কম।
রাজধানীর গুলশানে হোটেল আমারিতে হেলভেটাস বাংলাদেশ আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।
কর্মশালায় সম্ভাব্য বিদেশগামীদের জন্য প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল এবং বিদেশে কর্মরত অভিবাসী পরিবারের আর্থিক সাক্ষরতা নিশ্চিতে আরেকটি ম্যানুয়ালের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
হেলভেটাস বাংলাদেশ জানায়, অভিবাসী কর্মীদের পরিবারে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে আনায় অভিবাসী কর্মীদের পরিবারের সঞ্চয় বাড়ছে। অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর মধ্যে আছে- মোবাইলে অতিরিক্ত কথা কমিয়ে আনা, বাড়িতে মোবাইল ডেটার পরিবর্তে ওয়াইফাই সংযোগ বসানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম সময় ব্যয় করা, ফাস্টফুড কম খাওয়া, প্রয়োজনের অতিরিক্ত পোশাক না কেনা, কম প্রসাধনী ব্যবহার এবং অপ্রয়জনে বাইরে ঘুরাঘুরি কমিয়ে দেওয়া।