দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের ফলে ইশরাকের মামলাটিই অকার্যকরঃ এনসিপি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১ বছর আগে
ফাইল ছবি

Manual4 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অবৈধ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এনসিপি।
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকাই দায়ী বলে মনে দলটি।

মঙ্গলবার (২০ মে) রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দিতে হবে। বর্তমান কমিশনের উপর আস্থা রাখা যায় না বলে ঘোষণা দেন।

Manual4 Ad Code

“ইশরাক হোসেন বনাম শেখ ফজলে নূর তাপস গং” মামলার বিবাদী হওয়া সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীনভাবে মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি, যার ফলে একতরফা রায় প্রদান করা হয়েছে। এমনকি রায়ের পরে তাঁরা উচ্চ আদালতে প্রতিকার প্রার্থনা না করে মামলার বাদীকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। এর আগেও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ আচরণ বজায় রাখার পরিবর্তে এমন সব বক্তব্য প্রদান করেছে, যার সাথে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অবস্থানের সাযুজ্য রয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়।

জাতীয় নাগরিক পার্টি – এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, এই মামলায় রায় ঘোষনায় আগেই সংশ্লিষ্ট আইনের অধীন গত ১৯ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। ফলে পুরো মামলাটিই অকার্যকর হয়ে গেছে। রায় ঘোষণার পর গেজেট প্রকাশের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাইলেও, মতামত প্রদানের পূর্বেই তড়িঘড়ি করে রাতের আঁধারে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সার্বিক ভূমিকা স্পষ্টতই পক্ষপাতমূলক।

Manual3 Ad Code

বর্তমান নির্বাচন কমিশন অবৈধ ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার প্রণীত “প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২” অনুযায়ী গঠিত, যা সে সময় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল ও পক্ষ প্রত্যাখ্যান করেছিলো। এতদ্বসত্ত্বেও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার আগেই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। ফলে বিদ্যমান নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনার প্রতিফলন ঘটবে না বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। যেমনঃ পলাতক ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংক্রান্ত সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবকে নাকচ করেছে বিদ্যমান নির্বাচন কমিশন।
এর ফলে এই কমিশনের উপর আস্থা রাখা সম্ভব নয় বলেই তারা মনে করেন।

Manual2 Ad Code

একই সাথে আমরা লক্ষ্য করছি যে, জনপ্রতিনিধি না থাকায় নাগরিক সেবা প্রদান মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে, এবং সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে “ইশরাক হোসেন বনাম শেখ ফজলে নূর তাপস গং” মামলাকে নজির হিসেবে নিয়ে, সারা দেশে অবৈধ নির্বাচনের প্রার্থীরা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে এক জটিল ও সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি করছে। এ সংকট নিরসনে এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনই একমাত্র সমাধান। কিন্তু ফ্যাসিবাদী আইনে গঠিত বর্তমান পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচন আয়োজনে সক্ষম নয় বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

অনতিবিলম্বে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আমলে নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি দাবি জানান। এই দাবিতে বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টি – এনসিপি, ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে সকাল ১১টায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা দেয় এনসিপি । ডেস্ক জেবি

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  • দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের ফলে ইশরাকের মামলাটিই অকার্যকরঃ এনসিপি
  • Manual1 Ad Code
    Manual4 Ad Code