দক্ষিণ সুরমার লালাবাজারে চলছে জুয়ার আসর, মূল হোতারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual4 Ad Code

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি : এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানার লালাবাজার এলাকায় অপরাধ প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একাধিক তীর জুয়াসহ নানা অপরাধের স্পট গড়ে উঠায় উদ্বেগে আছেন এই এলাকার সচেতন বাসিন্দারা। দিনদুপুরে এসব অপকর্ম চলছেও মূল হোতারা বার বারই থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

জানা গেছে, জুয়ার টাকার লোভে স্কুল ও কলেজপড়ুয়া ছেলেরা এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। প্রশাসন মাঝে-মধ্যে অভিযান চালালেও মূল অপরাধীরা থেকে যায় আড়ালে। ক্রাইম স্পটগুলোতে প্রকাশ্যে চলে ভারতীয় তীর শিলং জুয়া, টিকটিকি, জান্ডুমান্ডু, তিন তাস, কাটাকাটি ও ভারতীয় তীর শিলং। এছাড়াও এসব স্পটে একটি চক্র প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে। মাঝে-মধ্যে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মারামারির ঘটনাও ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের অদূরেই প্রকাশ্যে তিনটি স্থানে গড়ে উঠেছে জুয়া ও মাদকের আসর। এই আসরটি পরিচালনা করছে চিহিৃত জুয়ারী কবির, জগলু, গয়াস, আতাই। সবশেষ গত ২৬ আগস্ট ডিবি পুলিশ লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাত্র ৫ জুয়াড়িকে আটক করলেও তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তিনটি জুয়ার আসরে প্রতিনিয়ত অন্তত অর্ধশত জুয়ারী আসরটি জমিয়ে রাখলেও মাত্র কয়েকজনকে আটকের ঘটনায় সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

Manual4 Ad Code

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, স্থানীয়রা এসব জুয়ার বোর্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে কোনো সুফল পাচ্ছেন না। যে কারণে দিন দিন জুয়াড়িরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। লালাবাজার এলাকায় প্রশাসন মাঝে-মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে জুয়াড়িদের আটক করলেও মূল হোতারা থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে। যার কারনে দু’চার জন আটক হলেও তারা আদালত থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আবারও অপরাধ কর্মকান্ডে লিপ্ত হয় এই নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

লালাবাজার এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আমাদের এলাকার কিশোররা যেভাবে অপরাধের সাথে লিপ্ত হয়েছে তাতে ভবিষ্যতে তারা বড় ধরণের অপরাধীতে পরিণত হবে। এদের দ্বারা দেশ ও জনগণের মারাত্মক ক্ষতি সাধন হবে। বিভিন্ন কলোনিতে বসবাসরত কিশোরদের সঙ্গ নিয়ে তারা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এখনই তাদের দমন না করলে কিশোর প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

Manual5 Ad Code

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন- থানা পুলিশ, ডিবি ও কিছু অসাধু প্রভাবশালী মহল নিয়মিত এসব স্পট থেকে বখরা নেন। এসব কারণে জুয়াড়িরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

Manual1 Ad Code

অভিযোগ রয়েছে এসএমপির ডিবি পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর আতিক নিয়মিত দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের নামে এখান থেকে বখরা আদায় করেন এবং সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ফলে অভিযান পরিচালিত হওয়ার আগেই খবর পৌঁছে যায় জুয়ারীদের কাছে।

তবে বিষয়টি নিয়ে দক্ষিণস সুরমা থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code