দিলারার রহমানের প্রশংসা : মনিরামপুরের এসিল্যান্ড সায়েমা হাসানকে ভৎসনা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual8 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

জুলফিকার আলী কানন :
মেহেরপুর থেকে : দুজনেই প্রশাসনের নারী অফিসার। একজন দিলারা রহমান কর্মরত মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে। অন্যজন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) সায়েমা হাসান।
বর্তমানে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ করোনা ভাইরাস (কভিক-১৯) প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশে স্থানীয়দের সচেতন করতে মাঠে কাজ করছেন দুজনেই।
অথচ, দুজনের চরিত্রের পার্থক্য আকাশ-পাতাল। একজনকে নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও সোস্যাল মিডিয়াগুলোতে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অপরদিকে আরেকজনকে নিয়ে চলছে দেশ ব্যাপি সমালোচনার ঝড়।
করোনা ভাইরাস দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘূরে হ্যান্ডমাইক যোগে সচেতন করার কাজ করে যাচ্ছেন। এটি মোকাবেলা করতে সমাজের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সাথেও সচেতনতা সৃষ্টিতে মতবিনিময় করেছেন। স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এক সাথে নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে সচেতন করছেন মানুষকে। বিদেশ ফেরতদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চতকরণসহ জনসমাগম এলাকাগুলোতে গিয়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করণে সচেতন করছেন। আর এ কারণে, স্থানীয়, জাতীয় দৈনিক, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সব সময় তার ভূঁয়সী প্রশংসা চলছে। অথছ, সদ্য প্রত্যাহার হওয়া মনিরামপুরের সায়েমা হাসানের বিরুদ্ধে সারাদেশ ব্যাপি চলছে সমালোচনার ঝড়। চলছে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের কটুক্তি ও কটাক্ষ। আজকের শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সায়েমা হাসানকে মনিরামপুর উপজেলা থেকে প্রত্যাহার করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

Manual5 Ad Code

এব্যাপারে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান জানান, ইউএনও এবং এসিল্যান্ড সরকারের মাঠ পর্যায়ের সব্বোর্চ্চ অফিসার। তাদের সব সময়ে মানুষের কাছাকাছি থেকে তাদের সাথে কাজ করতে হয়। এ দুটো পদের অফিসারদের জনমুখি এবং জনবান্ধব হওয়া উচিত। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি শুধু পুথিগত বিদ্যা এবং কর্মজীবনের প্রশিক্ষণ দিয়ে নয়, মানবতাকে বড় করে দেখতে হবে। আর এজন্য পারিবারিক শিক্ষাটা সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রাখতে পারে। সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে তার প্রশংসার ব্যাপারে তিনি বলেন, নিজের প্রশংসার জন্য আমি কিছু করিনা। সার্ভিসের জায়গা থেকে এবং মানুষের কল্যাণের কথা ভেবে কাজ করে যাচ্ছি। এসিল্যান্ড সায়েমা হাসান প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এধরনের আচরণ প্রশাসনের সকলের জন্য লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সায়েমা হাসানের বয়সে নবীণ হওয়ার কারনেও এমনটি হতে পারে। অথবা কাজের প্রচন্ড চাপের কারনেও এটা হতে পারে।
তবে তিনি বলেছেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে আরো আন্তরিক হয়ে জনগনের মাঝে সরকারের সুফল পৌছে দেওয়া।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code