

নিউজ ডেস্কঃ তামিম ইকবালের যোগ্য উদ্বোধনী জুটি আজও পায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্যসমাপ্ত হোম সিরিজে টপঅর্ডার ব্যর্থ। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন মনে করেন বিপর্যয় কাটিয়ে আগামী দুবছরের মধ্যে ভালো অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ।
দুই টেস্টে বাংলাদেশের তিন ব্যাটার ওপেন করেছেন। চট্টগ্রামে সাদমান ইসলামের সঙ্গে সাইফ হাসান। ঢাকা টেস্টে অভিষেক হয়েছে মাহমুদুল হাসান জয়ের। চার ইনিংসে সাদমানের রান ২০, দুই ইনিংসে সাইফের ৩২ এবং মাহমুদুল হাসানের রান ৬। অধিনায়ক মুমিনুল চার ইনিংসে করেছেন মাত্র ১৪ রান। নাজমুল হোসেন শান্তর রান দুই ম্যাচে ৫০। যা একটু প্রতিরোধ দেখা গেছে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে। ঢাকা টেস্টে সাকিব ভালো করেছেন ৩৩ ও ৬৩।
পাকিস্তানের দুই ওপেনার আবিদ আলী (২৬৩) এবং আবদুল্লাহ শফিকের (১৫০) সিরিজে যৌথ রান ৪১৩। একটি করে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরিতে সর্বোচ্চ রান সিরিজসেরা আবিদ আলীর। ব্যাটিংয়ে শীর্ষ পাঁচের মধ্যে আছেন লিটন (২২৪) ও মুশফিক (১৬০)। তারা রয়েছেন দুই ও তিন নম্বরে। শফিক ও বাবর আজম (৯৯) পরের দুটি স্থানে। সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবি গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বলেন, ‘কেন এমন ব্যাটিং হলো জানি না। টেস্ট ব্যাটিং বলতে যা বোঝায়, সেরকম ব্যাটিং করেনি বাংলাদেশ।’ সিরিজে পাকিস্তানের দুই পেসার হাসান আলী ও শাহিন শাহ আফ্রিদি যেভাবে
বোলিং করেছেন তাতে সফরকারীদের আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তবে পাকিস্তানের বোলারদের চেয়ে উইকেট হারানোয় বাংলাদেশের ব্যাটারদের অবদানই বেশি। সিরিজে সাজিদ খান পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১৬ উইকেট, আফ্রিদি ১০ ও হাসান আলী নয় উইকেট। এই তিন বোলার মিলে বাংলাদেশের ৩৫ উইকেট নিয়েছেন। বাংলাদেশের একমাত্র তাইজুল ইসলাম ছাড়া বাকিরা ব্যর্থ। তাইজুল নিয়েছেন ১০ উইকেট। বাকিরা সবাই মিলে মাত্র ছয়টি।
প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা যখনই টেস্ট খেলি, তখনই আসল চ্যালেঞ্জ সামনে চলে আসে। আমরা নির্বাচকরা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট নিয়ে কাজ করছি। আমরা দল বাছাইয়ে থাকি আর না থাকি, যে পরিকল্পনা দিয়ে যাচ্ছি সেভাবে কাজ করলে দুই বছরের মধ্যে দল একটা ভালো অবস্থানে চলে যাবে।’ তিনি বলেন, ‘তবে টেস্টে উন্নতি সময়ের ব্যাপার। পরিকল্পনা জমা দিয়েছি প্রথম শ্রেণির উন্নতির জন্য। করোনার মধ্যে আমরা অনেক কিছু করতে পারিনি। আগামী বছর থেকে এই পরিকল্পনাগুলো নিয়ে এগোতে পারলে ভালো কিছু পাওয়া যাবে।’