

ইন্টালন্যাশনাল ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ায় মানুষের গোপন মুহূর্ত ধারণ করে কন্টেন্ট তৈরিতে এক লাখ ২০ হাজারের বেশি হোম ক্যামেরা হ্যাকের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ফুটেজগুলো নিয়ে অন্যদেশের একটি ওয়েবসাইটের জন্য যৌন হয়রানিমূলক কন্টেন্ট তৈরিতে ব্যবহার হতো। পুলিশের বিবৃতিতে রবিবার (৩০ নভেম্বর) জানানো হয়, আটক ব্যক্তিরা সহজ পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে হ্যাকিং চালাতো। এই ঘটনায় ব্যক্তিগত বাসা, কারাওকে রুম (গান গাওয়ার মাধ্যমে বিনোদন), একটি পিলাটেস স্টুডিও (বিশেষ ধরনের শরীরচর্চা কেন্দ্র) এবং গাইনি ক্লিনিকের মতো জায়গার ক্যামেরা হ্যাকের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির বিবৃতিতে বলা হয়, চার সন্দেহভাজনের মধ্যে সমন্বয় করে হ্যাকের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারা স্বাধীনভাবে এসব অপরাধ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। সিসিটিভির তুলনায় কম ব্যয়বহুল আইপি ক্যামেরা বা হোম ক্যামেরা সাধারণত বাড়ির ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকে। এগুলো নিরাপত্তার জন্য বা শিশু ও পোষা প্রাণী পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়। গ্রেফতার একজনের বিরুদ্ধে ৬৩ হাজার ক্যামেরা হ্যাক করে ৫৪৫টি যৌন শোষণমূলক ভিডিও তৈরির অভিযোগ রয়েছে, যা তিন কোটি ৫০ লাখ উন বা ১২ হাজার ২৩৫ মার্কিন ডলারের সমমূল্য ভার্চুয়াল সম্পদের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়।