

ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ প্রস্তুত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করার মাধ্যমে ‘নতুন বাংলাদেশের চিত্র বদলে দেওয়ার’ দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম খেলাধুলায় যুক্ত হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি সুস্থ জাতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব হবে।আজ শুক্রবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমনেশিয়ামে আয়োজিত ‘আন্তঃস্কুল জিমন্যাস্টিকস প্রতিযোগিতার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তিনি জানান, সারা দেশে খেলার মাঠের সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১ হাজার ইউনিয়নে ১ হাজার মাঠ খেলার উপযোগী করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গন দল-মত-নির্বিশেষে সবাইকে এক সূত্রে গেঁথে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে উদ্বুদ্ধ করে। খুদে জিমন্যাস্টদের দারুণ প্রদর্শনী দেখে মুগ্ধ হয়ে আমিনুল হক আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের তরুণ অ্যাথলেটদের বছরব্যাপী মানসম্মত অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া গেলে এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ বা অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক আসর থেকেও পদক জয় করা সম্ভব হবে।’ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিদ্যমান জিমনেশিয়ামটি পূর্ণাঙ্গভাবে জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তরের আশ্বাস দিয়ে আমিনুল জানান, এখানে অনুশীলনরত তায়কোয়ান্দো দলকে কমলাপুর বা অন্য কোথাও স্থানান্তরিত করা হবে। এবারের আন্তঃস্কুল জিমন্যাস্টিকস প্রতিযোগিতায় ৫৪টি স্কুলের ২২২ জন জিমন্যাস্ট অংশ নিচ্ছে, যাদের মধ্যে ১১৮ জন বালক এবং ১০৪ জন বালিকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালসহ সংগঠনের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।