

ডেস্ক রিপোর্ট: কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সর্বাধিক পছন্দের পেশা শিক্ষকতা। ধর্মীয় শিক্ষা-দীক্ষার কাজে লেগে থাকাকে ‘সবচেয়ে মহান পেশা’ মনে করেন তারা। সম্প্রতি এই পেশা থেকেও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তাদের অধিকাংশ। হাজারো তরুণ আলেম যুক্ত হচ্ছেন অন্যান্য পেশায়। এতে করে তাদের পড়তে হচ্ছে নানা জটিলতায়ও। কওমি থেকে পাস করা এই শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে খাপ খাওয়াতে নানান প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে নামুখী কর্মে যোগ দিচ্ছে এই শিক্ষার আলেমেরা।
আলেমরা বলছেন, মাস্টার্স সমমান সনদ থাকলেও অংশ নিতে পারছে না কোনও সরকারি পরীক্ষায়। ইচ্ছে হলেই উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরের কোনও দেশে যেতে পারছেন না। ফলে তাদের মসজিদ-মাদ্রাসার বাইরের কর্মস্থানে পা বাড়াতে হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং, ব্যবসা, চাকরি, চাষাবাদের মতো পেশাকেও বেছে নিচ্ছেন অনেক তরুণ। কিন্তু মাদ্রাসার বর্তমান সিলেবাসে পড়াশোনা করে তারা বাইরে গিয়েও তেমন সুযোগ পাচ্ছেন না। পেলেও এমন কাজে সুযোগ পাচ্ছেন, এত কম বেতন, যা মানানসই নয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশে মোট কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ১৯ হাজার ১১৯টি। এ সমস্ত মাদ্রাসা থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে জীবিকা নির্বাহের জন্য নানান পেশায় যুক্ত হচ্ছেন।