

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেও অস্ত্র পাবেন না কুয়েতের নারী সেনারা। তাছাড়া কোনো নারী যদি সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চান তাহলে বাধ্যতামূলকভাবে তার পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে এরপর আসতে হবে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
এ খবর জানার পর দেশটির অনেক নারীই খুশি হয়েছিলেন। ভেবেছিলেন দুঃসাহসিক জীবন পাওয়ার যে স্বপ্ন তারা দেখতেন সেটি পূরণ হবে। কিন্তু সহসাই তাদের এই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না।
কুয়েতের সেনাবাহিনী এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দেশটির নারীরা বেশ ক্ষিপ্ত হয়েছেন।
নারী অধিকার কর্মীরা বলছেন এমন সিদ্ধান্ত নারীদের এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার পর দুই ধাপ পিছিয়ে দেওয়ার সামিল।
কুয়েতের সামাজিকমাধ্যমগুলোতে অনেকেই সেনাবাহিনীর এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে নিজেদের রাগের কথা জানিয়েছেন।
গণমাধ্যম এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে গাদের আল-খাসতি নামে একজন নারী ক্রীড়া শিক্ষক বলেন, আমরা জানি না সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে কেনো এত বাধা আরোপ করা হচ্ছে। সবক্ষেত্রেই আমাদের মেয়েরা কাজ করছে। এমনকি পুলিশ বাহিনীতেও মেয়েরা আছে।