নিউইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বলেন, ‘লকডাউন’ এর নির্দেশনা স্থানীয় সময় রোববার রাত ৮টা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আদেশ লঙ্ঘনকারীদের জরিমানা গুনতে হবে। অ্যান্ড্রু কুমো বলেন, রাজ্যের সকল কর্মীকে প্রয়োজনীয় সকল ধরণের সেবা দেওয়া হবে। প্রত্যেকে বাড়িতে নিরাপদে থাকুন এবং সরকারি আইন মানুন। যদি কেউ সরকারি আইন মেনে না চলেন তাহলে তাদের জরিমানা গুণতে হবে। এন্ড্রু কুমো আরও বলেন, সরকারি, বেসরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা জরুরি কাজে নিয়োজিত নয়—তাদের ঘর থেকে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। লন্ড্রি, রেস্টুরেন্টে শুধু ডেলিভারি, পেট্রল পাম্প এবং সীমিত গণপরিবহন চালু থকবে। গভর্নর কুমো বলেন, এসব উদ্যোগ কেবলই জীবন রক্ষার জন্য। নিউইয়র্ক নগরীতে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নগরীতে যে কোনো সময় কারফিউ জারি হতে পারে।
এদিকে, শনিবার রাত ১১টা সময় পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে ৩৪০ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ২৭০৬৯ জন। প্রতি মুহূর্তে এ তথ্য বেড়েই চলেছে বলে ফেডারেল প্রশাসনের উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করেছে ‘ওয়ার্ল্ডওমিটার’ নামক আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা। আক্রান্তদের মধ্যে নিউইয়র্কে সবচেয়ে বেশী-১২৬৯৯। এরমধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে মারা গেছে ৬০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় এই রাজ্যে বেড়েছে ২৩২৭ জন। অর্থাৎ সারা আমেরিকার অর্ধেকই নিউইয়র্কের।
ক্যালিফোর্নিয়া, ইলিনয়, কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যেও রোববার সন্ধ্যা ৮টা থেকে কঠোর নিয়ম আরোপিত হবে। চিকিৎসক, নার্স, সাংবাদিক, পুলিশ, দমকল কর্মী ছাড়া কেউ অবাধ যাতায়াতের সুযোগ পাবে না। খোলা থাকবে শুধুমাত্র খাবার দোকান, রেস্টুরেন্ট, ফার্ম্মেসী। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, ইলিনয়, কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের এসব এলাকা ভুতুরে শহরে পরিণত হয়েছে। প্রাণচাঞ্চল্য নেই বললেই চলে।
