পছন্দের খাবার খেয়েও যেভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন

লেখক:
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : শরীরে মেদ জমার সবচেয়ে বড় কারণ আমাদের অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। অতিরিক্ত ওজন মানেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ এমনকি ক্যানসারের মতো বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে। সুস্বাস্থ্য পেতে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতেই হবে।

তবে ওজন ঝরাতে হবে বলে খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিলে চলবে না। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই নেটমাধ্যমের ভরসায় অনেকে ডায়েট করতে শুরু করে দেন। আদৌ সেই ডায়েট প্ল্যান আপনার শরীরের পক্ষে উপযোগী তো? সঠিক পদ্ধতিতে মেনে ডায়েট না করলে শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে। শুধু ডায়েটের ভরসায় ওজন কমানো কখনওই সম্ভব নয়। ডায়েটের ফলে দ্রুত ওজন ঝরে এ কথা ঠিক। তবে সেই ওজন দীর্ঘ দিন ধরে রাখা যায় না।

ডায়েটের নামে আমরা অনেক খাবারই খাদ্যতালিকা থেকে একেবারে বাদ দিয়ে দিই। পছন্দের খাবার খেতে মন চাইলেও ওজন বাড়ার ভয়ে খেতে পারি না। এমনটা করা উচিত নয়। খাদ্যের পরিমাণের ওপর লাগাম টানলেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

কোন লোভনীয় খাবারগুলো খেলেও ওজন বাড়বে না?

ভাত

শরীরে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। ভাত-রুটি একেবারেই ডায়েট থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত নয়। তবে অতিরিক্ত পরিমাণ ভাত খেলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। তাই ভাতের পরিমাণ কমিয়ে ডাল, শাক-সবজি, মাছ, মুরগির মাংস বেশি করে খেতে পারেন।

আলু

আলু খেলেই মোটা হয়, এ ধারণা কিন্তু ভুল। মাছ, মাংস, সবজিতে পরিমিত মাত্রায় আলু দিলে তা শরীরের ক্ষতি করে না। আলু সেদ্ধ করেও খাওয়া যেতে পারে। তবে আলুর চিপ্‌স শরীরের ক্ষতি করে। নিয়মিত আলুর চিপ্‌স খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে।

বাদাম

বিভিন্ন রকম শুকনো ফল, যেমন, কাজু, কাঠবাদাম, আখরোট, পেস্তা ভাল ফ্যাটের দারুণ উৎস। স্বাদ তো বটেই, সঙ্গে ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফাইবার ও নানা খনিজ পদার্থে ভরপুর ড্রাই ফ্রুটস সুস্বাস্থ্য পেতেও দারুণ উপকারী। পরিমিত মাত্রায় এ সব খেলে ওজন বাড়ে না।

Manual1 Ad Code

ফল

ডায়েট করার সময়ে অনেকেই ফল এড়িয়ে চলেন। তারা মনে করেন ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করার ওজন বেড়ে যেতে পারে। এই ধারণা ভুল। রোজের খাদ্যতালিকায় ফল রাখতেই হবে। শরীরে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতে ফলের কোনো জুড়ি নেই।

Manual2 Ad Code

ডিম, মাংস

Manual8 Ad Code

ডিম খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। এ ভুল ধারণার জন্য অনেকেই ডিম এড়িয়ে চলেন। ডিম আসলে প্রোটিনের দারুণ উৎস। নিয়মিত দু’টি ডিম খাওয়া যেতেই পারে। ওজন ঝরাতে হলে রেড মিট না খাওয়াই ভালো। তবে খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন রকম সামুদ্রিক মাছ, মুরগির মাংস রাখা যেতেই পারে।

Manual8 Ad Code

সূত্র : আনন্দবাজার

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code