পদ্মা সেতু বাংলাদেশের গর্ব

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual2 Ad Code

সম্পাদকীয়: বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এই মাসেই ও ঐতিহাসিক পলাশী যুদ্ধের মাসও জুন। আরও একটি ঐতিহাসিক তারিখ যুক্ত হতে যাচ্ছে এই মাসে, আর সেটা ২৫ জুন। পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন। এজন্য দিনটি হবে বাংলাদেশের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। পদ্মা সেতুর নামকরণ করে ইতোমধ্যে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং উদ্বোধনের জন্য চলছে জোর প্রস্তুতি।

Manual2 Ad Code

পদ্মা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সেতু। পদ্মা সেতুর অপর নাম বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া, নিজস্ব অর্থায়নে তৈরী আত্মমর্যাদার নাম। পদ্মা সেতু নিয়ে কেন এত মানুষের উচ্ছ্বাস। একটু পেছনে ফিরে তাকালে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ সব সময় নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়েছে। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ উঠে দাঁড়াতে বিভিন্ন ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন হয়েছিল। আর এই সুযোগেই বৈদেশিক দাতা গোষ্ঠী এগিয়ে এসে নানা ধরনের শর্তযুক্ত ঋণ দিতে। যাই হোক পদ্মা নির্মাণের জন্যও এগিয়ে আসে দাতা গোষ্ঠী, তবে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণে মোটা অংকের ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা আবার বাতিল করে মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগে। আর তখন থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের অঙ্গীকার করেন এবং সে মোতাবেক এগিয়ে যান। আজ তাঁর দৃঢ় প্রত্যয়ের সফল বাস্তবায়ন হয়েছে। কৃষি সেক্টরে পদ্মা সেতু দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক পরির্বতন বয়ে আনবে বলে বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। শীতকাল সহ সারা বছর তাজা সবজির সবচেয়ে বড় যোগানদাতা খুলনার ডুমুরিয়া ও যশোর জেলা আর গদখালীর ফুল খুব সহজেই পৌঁছে যাবে ঢাকাসহ সারাদেশে। কুয়াশা ও নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে পদ্মায় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকতো, ফলে পারের অপেক্ষায় থাকা ট্রাকের সবজি ও ফুল পচে নষ্ট হয়ে যেত। তাই তাঁদের কৃষিজাত পণ্য বাজারজাত করতে সমস্যা হয়। অনেক সময় বাজারজাত করতে না পারার কারণে কৃষিজাত পণ্য পচে যায়। এছাড়াও কৃষকের ন্যায্য দাম প্রাপ্তি নিয়ে পড়তে হতো নানা সমস্যায়। পদ্মা সেতুর ফলে সুদিন ফিরবে সবজি ও ফুল চাষীদের ।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code