পাঁচবিবিতে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা কি পূরণ হবে?

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ 

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বাজার মূল্যের চেয়ে সরকারের নির্ধারিত মূল্য অনেক কম হওয়ায় সরকারি খাদ্যগুদামে ধান দিতে আগ্রহ নেই স্থানীয় কৃষকদের। ফলে, চলতি আমন মৌসুমে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত ২৪ নভেম্বর ৩ টন ধান কেনার মাধ্যমে ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হলেও এরপর থেকে  আরও কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন গুদাম কর্মকর্তারা।

Manual7 Ad Code

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে পাঁচবিবি খাদ্য গুদাম ২৭ টাকা কেজি দরে ১৩ মেট্রিক টন ধান এবং ৪০ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ৭১৫ মেট্রিক টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেই লক্ষ্যে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার জন্য অনলাইনে লটারির মাধ্যমে উপজেলায় ৪৪৪ জন কৃষককে নির্বাচন করা হয়। কিন্তু বাজার মূল্যের চেয়ে সরকারের  নির্ধারিত দাম অনেক কম হওয়ায় কৃষকরা ধান দিতে আগ্রহী হচ্ছেন না।

Manual6 Ad Code

কৃষকরা বলছেন, বর্তমানে কাঁচা ধানের বাজার মূল্য মণপ্রতি ১ হাজার ২০ টাকা। তবে, সরকারি গুদামের নিয়ম অনুযায়ী আদ্রতা মুক্ত ও ঝেড়ে দিতে হয়। এতে আরও খরচ পড়ে ২৫০ টাকা। এই হিসেবে মণপ্রতি খরচ পড়ে ১ হাজার ২৭০ টাকা।  অথচ সরকার প্রতিমণের জন্য দিচ্ছে মাত্র ১ হাজার ৮০ টাকা। এই হিসাবে কৃষকের লস ১৯০ টাকা। এছাড়া আছে পরিবহণ ভাড়াও। এ কারণে কৃষকরা বাজার দামের চেয়ে কম দামে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী নন।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২০ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে ৯৫ হাজার ৩৬০ মেট্রিক টন ধান-চালের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ কর হয়।

Manual1 Ad Code

এদিকে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা পূরুণ হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যগুদাম সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, এই লক্ষ্যে স্থানীয় মিলাররাও তাদের সহযোগিতা করছেন।

‘সাথী চাউল কল’ মালিক আইয়ুব আলী বলেন, ‘কিছুটা ক্ষতি হলেও তারা চাল সরবরাহ করে ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চেষ্টা করছি। মিলাররা সেই ক্ষতিপূরণে সরকারের কাছে ভর্তুকির দাবি জানাই।’

Manual7 Ad Code

পাঁচবিবি খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘ধান কেনা লক্ষ্যমাত্রা পুরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি। স্থানীয় কৃষকদের ইতোমধ্যে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে ধান দিতে উৎসাহ করা হচ্ছে। কিন্তু কোন কৃষকের সাড়া না পাওয়ায় উদ্বোধনের দিনে কেনা ৩ টন ধানেই সীমাব্ধ আছে ক্রয় কার্যক্রম। আগামী বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি ক্রয় কার্যক্রম শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code