প্রকল্প বাস্তবায়নে কৌশলগুলো নির্ধারণ করতে হবে

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual6 Ad Code

সম্পাদকীয়:

Manual7 Ad Code

তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণকাজ তিন বছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়নে ১৩ বছর লেগে যাওয়ার বিষয়টি অনভিপ্রেত। জানা গেছে, যথাসময়ে বাস্তবায়ন না-হওয়ায় এ প্রকল্পে বাড়তি ব্যয় হবে অন্তত ২৩১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। বলার অপেক্ষা রাখে না, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারি অর্থের সাশ্রয় যেমন হতো, তেমনি জনদুর্ভোগের অবসানও ঘটত। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় শত শত মানুষ প্রতিদিন নৌকায় চড়ে শীতলক্ষ্যা নদী পাড়ি দিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদরে যাতায়াত করে থাকেন। বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াত সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি ঢাকা শহরে যানজট নিরসনে বিকল্প সড়ক সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্টের সহায়তায় ২০১০ সালে এক হাজার ২৯০ মিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল।

কোনো প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করা না-গেলে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের দুর্দশা ও বিড়ম্বনার মাত্রাও বৃদ্ধি পায়, তা বলাই বাহুল্য। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সময় ও বাড়তি ব্যয় নিয়ে আলোচ্য প্রকল্পের কর্তাব্যক্তিদের কোনো মাথাব্যথা নেই। বস্তুত দেশে এ ধরনের ‘কচ্ছপ গতির’ প্রকল্পের সংখ্যা কত এবং সেগুলোর ভবিষ্যৎ কী, তা জানতে ইচ্ছে করে। আমরা মনে করি, কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে বছরের পর বছর সময় লাগার সুবাদে এর ব্যয়বৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাট বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code