

শরীফ গাজী সিলেট :সিলেট নগরীর কাজী জালাল উদ্দিন বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল খালেক এর বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির কিছু সদস্যের সহায়তায় প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। তাছাড়াও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারেরও অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক সহ এলাকাবাসী। ১৬ই মার্চ সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরিত এক আবেদনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
বিষয়টি তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অভিযোগের অনুলিপি শিক্ষামন্ত্রী, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, দুদক বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ও বিভাগীয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সিলেটের পরিচালক বরাবরেও প্রদান করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কাজী জালাল উদ্দিন বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল খালেক ৭ বছর অব্যাহতিতে ছিলেন। বিদ্যালয়ের বইখাতা গোপনে বিক্রির কারণে তাকে এই অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ৯০১৮/২০১৯ এবং রিট এপিল ২৯৬০/২০১৯। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট ডিভিশনে বিচারাধীন রয়েছে।
কিছুদিন পূর্বে তিনি পুণরায় বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। তারপর থেকেই তিনি উগ্রআচরণ শুরু করেন। তিনি নিজের ইচ্ছামত বিদ্যালয় পরিচালনা করেন, যার ফলশ্রুতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান খুবই খারাপ অবস্থায় পৌঁছে গেছে।
পূর্বে উক্ত বিদ্যালয়ে ১২০০ থেকে ১৫০০ শিক্ষার্থী ছিল। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের কারণে বর্তমানে বিদ্যালয়ে ৪’শ থেকে ৫’শ শিক্ষার্থী আছে। শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষকের উগ্রতার কারণে উক্ত বিদ্যালয়ে সন্তানদের লেখাপড়া করাতে অনীহা প্রকাশ করছেন অভিভাবকরা। উক্ত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সঞ্চয়ী একাউন্টে প্রায় কোটি টাকা জমা ছিল। যা প্রধান শিক্ষক সহ বর্তমান বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি এর কিছু সদস্যদের সহায়তায় ব্যাংকের প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সুস্থ তদন্ত সাপেক্ষে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন অভিভাবক শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। বিজ্ঞপ্তি