প্রভাব পড়তে পারে দীর্ঘ মেয়াদে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual3 Ad Code

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগের মধ্যে রয়েছে– যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণা, ষড়যন্ত্র করা, সাক্ষ্য জাল করা এবং নাগরিকদের অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে হওয়া দাঙ্গার ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়। এর মাধ্যমে চার মাসের মধ্যে তিনটি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হলেন তিনি।

Manual3 Ad Code

৭৭ বছর বয়সী ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে পুনরায় প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, ঘটনার আড়াই বছর পর এবং পরবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ও মামলার গতিপ্রকৃতি যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করার পরও কি প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ধরে রাখতে মিথ্যা ছড়াতে পারেন? আবার প্রেসিডেন্ট কি নির্বাচন সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করতে পারেন এবং ফলাফল ছাড়াই ভোটারদের ইচ্ছাকে উল্টে দিতে সরকারের ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করতে পারেন? প্রশ্নগুলো কয়েক বছর আগেও অকল্পনীয় ছিল। তবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা এবং বিশ্বজুড়ে জান্তা ও স্বৈরশাসকদের ইতিহাস এগুলোকে অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ইতিহাসে হোয়াইট হাউস প্রেসিডেন্টের মিথ্যাচার, কেলেঙ্কারি, স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা এবং ক্ষমতা ও জনগণের আস্থার অপব্যবহারের মতো বিষয়গুলোর সাক্ষী হয়েছে। সুতরাং ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো গুরুতর হলেও একেবারে নতুন নয়। এরই মধ্যে তাঁকে আরও দুটি মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে– সংবেদনশীল নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি এবং একজন পর্নো তারকাকে মুখ বন্ধ রাখার শর্তে ঘুষ দেওয়া। সর্বশেষ তদন্তে তাঁর পরাজয় এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে দাঙ্গার ঘটনা মিলিয়ে তাঁর দুই মাসের কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হয়।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code