

ডেস্ক রিপোর্ট
পশ্চিমা কিছু দেশের পরিকল্পনা ফিলিস্তিনকে আগামী সপ্তাহে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দিকে এগোচ্ছে তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন।
আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন প্রভাব সৃষ্টি করতে যাচ্ছে পশ্চিমা শক্তিগুলো বিশেষ করে যুক্তরাজ্য — যারা আগামী সপ্তাহে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দেওয়ার পথে এগোতে পারে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে সরাসরি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে এই মতামত জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কেয়ার স্টারমারের সঙ্গে এক বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক যখন ফিলিস্তিন স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখন ট্রাম্প বলেছিলেন এ বিষয়ে আমার প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের সঙ্গে দ্বিমত রয়েছে। যেসব বিষয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিমত আছে এটি সেগুলোর মধ্যে একটি।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, হামাসের হাতে বন্দি থাকা জিম্মিদের ব্যাপারেও তিনি একসঙ্গে তাদের মুক্তি চাচ্ছেন। তিনি বলেন “একজন নয়, দুজন নয়। আমরা আপনাকে কাল তিনজনকে মুক্তি দেব… এমনটা হবে না। আমাদের এ মুহূর্তে জিম্মিদের মুক্ত করতে হবে। যা ইসরায়েলিরা চায়। আমরা চাই গাজায় লড়াই বন্ধ হোক এবং এটি বন্ধ হবে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ পরিস্থিতির জটিলতাও তুলে ধরে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য সংঘাতে যেমন হয়, হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধও ততোটা জটিল। তিনি বলেন যুদ্ধের গতিধারা অনির্দেশ্য মৃত্যু-মোল্লায় কখন কি ঘটবে তা বলা কঠিন। ট্রাম্প বলেন “গাজা ইসরায়েল এবং সেখানে যা হচ্ছে তা নিয়ে আমরা কঠোর কাজ করছি… এটি জটিল একটি বিষয়… এর সমাধান হবে। কিন্তু যুদ্ধ সম্পর্কে আপনি আসলে জানেন না কি হয়। যুদ্ধ ভিন্ন বিষয়। আপনি যা ভাবেন যুদ্ধে তার ঠিক উল্টো হয়। আপনি ভাবেন সহজ হবে বা কঠিন হবে। তখন এর বিপরীত হয়।”
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার গাজার পরিস্থিতিকে ‘অসহনীয়’ আখ্যা দিয়েছেন এবং হামাসকে দাবি জানিয়েছেন যে তারা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিন। তিনি হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, যুদ্ধ শেষ হলে গাজায় হামাসের কোনো স্থান থাকবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল