

নিউজ ডেস্কঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শুধু বাঙালি নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড। ঘাতকরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার ধমনিতে প্রবাহিত, সেই একদিন ঘুরে দাঁড়াবে। সে জন্যই পরিবারের সবাইকে হত্যা করে। ঘাতকরা যথার্থই চিন্তা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বেঁচেছিলেন বলেই আমরা মাথা উঁচু করে বলতে পারি—আমরা বাংলাদেশি, আমরা বাঙালি। শেখ হাসিনা বেঁচে ছিলেন বলেই আমরা পেয়েছি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার। বটমলেস বাস্কেট থেকে সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ। তার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছি।
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মুজিব বাহিনীর অধিনায়ক, আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক শহিদ শেখ ফজলুল হক মনির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) কাওরান বাজারে কিচেন মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এতিম মাদ্রাসা ছাত্রদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এতিম ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো এতিম ছিলাম। আমিও আমার বাবা মা- মাকে হারিয়েছি। আমি আপনাদের মনের ব্যথা বুঝি। আপনারাও আমার মতো। আপনাদের প্রতি ও আমার প্রতি আল্লাহর রহমত আছে ।
ঢাকা মহানগর উত্তরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সম্পাদক হাজি লোকমান হোসেনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মাইনুল হোসেন খান নিখিল, প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, ডা. খালেদ শওকত আলী, শেখ ফজলে ফাহিম, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্িত জোদ্দার, তাজ উদ্দিন আহমেদ, মো. জসিম মাতুব্বর, মো. আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, মুহাম্মদ বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন।