সানিম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীঃ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সংহতি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual1 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

Manual2 Ad Code

১৯ মে সোমবার বিকাল ৪টায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সানিম হত্যাকাণ্ডের এবং মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রীয় উদাসীনতার বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ঢাকা মহানগর শাখা একটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ঢাকা মহানগর শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার ইমাম সাম্যের সঞ্চালনায় এবং সদস্য শাহ সম্পূর্ণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আাহমেদ জুবেল, ঢাকা মহানগরের সদস্য মম, সাজেদুল আলম তায়েফ। নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বক্তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সানিম হত্যার তদন্ত করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

Manual7 Ad Code

বক্তারা বলেন, মাদ্রাসায় শিশুদের উপর নির্যাতন, নিপীড়ন, ধর্ষন নতুন কিছু নয়। গণঅভ্যুত্থানের আগে যেমন প্রতিনিয়ত হতো, তেমনই এখনো হয়। তবে এমন তো হওয়ার কথা ছিলো না। অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত ৫ জন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে এবং নিপিড়ীত হয়েছে অসংখ্য। গুটিকয়েক ঘটনা বাদে বেশিরভাগ নিপীড়নের ঘটনাই গণমাধ্যমে আসে না। এতগুলো ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও রাষ্ট্রের এখনো টনক নড়েনি। বৈষম্য এখনো বিরাজমান। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও আমরা লক্ষ্য করেছি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা হয়েছে, হামলা হয়েছে পলিটেকনিক ও মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের উপর। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবীতে হামলা হয়েছে, শ্রমিকেরা নিহত হয়েছে। হামলা হয়েছে আদিবাসীদের উপর এবং এই হামলার প্রতিবাদ করা ছাত্রজনতার মিছিলেও হামলা করেছে পুলিশ। অথচ হামলার শিকার হওয়া এই ছাত্র-শ্রমিকের রক্তের উপরেই দাঁড়িয়ে আছে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মাদ্রাসার ঘটনা যদি কোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটতো তাহলে সারা দেশ অচল হয়ে যেত অথচ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কোনো গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে পারছে না কারণ তাদের পঙ্গু করে রাখা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

বক্তারা বলেছেন, রাষ্ট্র মাদ্রাসাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য করে না এবং মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার্থী হিসেবে গণ্য করে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্য হত্যার দায়ভার যেমন রাষ্ট্রকে নিতে হবে একই সাথে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সানিম হত্যার দায়ভার ও রাষ্ট্রকে নিতে হবে। এই দায়ভার নিয়েই রাষ্ট্রকে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বক্তারা আরও দাবি জানান যে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা শেষে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ডেস্ক জেবি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
  • সানিম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীঃ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সংহতি
  • Manual1 Ad Code
    Manual4 Ad Code