‘বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার পিটিএ স্বাক্ষর চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে’

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি হতে উত্তোরণ ঘটবে। এমতাবস্হায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ‘অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ)’ স্বাক্ষরের বিষয়টি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ের রয়েছে। নেপাল সরকারের অনুমোদন পেলে শিগগিরই তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হবে।

‘বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক ডায়ালগে তিনি এ তথ্য জানান।

Manual5 Ad Code

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা চেম্বার মিলয়ানতনে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে বাণিজ্য সচিব প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। দি কনফেডারেশন অব নেপালিজ ইন্ডাস্ট্রিজের (সিএনআই) সভাপতি বিষ্ণু কুমার আগারওয়ালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সম্মানে ডিসিসিআই উক্ত ডায়ালগের আয়োজন করেন।

বাণিজ্য সচিব জানান, বাংলাদেশের ভোক্তাশ্রেণির সংখ্যা অত্যন্ত বেশি এবং বিশেষ করে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন খাতে নেপালের উদ্যোক্তাবৃন্দ এদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

Manual8 Ad Code

প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলার (৬২৪ কোটি টাকা), যেখানে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৪৮ লাখ এবং ৬ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পাটপণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং প্রভৃতি খাত বিদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে, নেপালের প্রতিনিধিদলকে এসব খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বিষ্ণু কুমার আগারওয়াল বলেন, তার দেশ সেবা খাত নির্ভর অর্থনীতি হতে উত্পাদন খাত নির্ভর অর্থনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্হ্য, বিদু্যত্-জ্বালানি, অবকাঠামো, ম্যানুফেকচারিং, তথ্য-প্রযুক্তি প্রভৃতি খাতে নেপালে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে তিনি ঢাকা চেম্বার হতে নেপালে প্রতিনিধিদল প্রেরণের আহ্বান জানান।

সিএনআই-এর সহসভাপতি নির্ভানা চৌধুরী জানান, তার প্রতিষ্ঠান ‘চৌধুরী গ্রুপ’ ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ভোগ্যপণ্য খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে একটি উৎকৃষ্ট গন্তব্যস্হল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স কুমার রায় বলেন, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে তিনি দুদেশের বেসরকারি খাতে উদ্যোক্তাদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

Manual7 Ad Code

সমুদ্র অর্থনীতি এবং হাইটেক শিল্প উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ শিগগিরই এ পরিকল্পনার সুফল ভোগ করবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বার এবং কনফেডারেশন অব নেপালিজ ইন্ডাস্ট্রিজ (সিএনআই)-এর মধ্যকার সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান এবং সিএনআইর সভাপতি বিষ্ণু কুমার আগারওয়াল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

সভায় ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি এন কে এ মবিন, এফসিএস, এফসিএ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এছাড়াও ডিসিসিআই সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন এবং পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code