

এম এ রহিম,বেনাপোল:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি রফতানি সহজিকরন ও সম্প্রসারন সহ বৃদ্ধির লক্ষে বেনাপোলে রেল কার্গো চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়। সম্ভাব্য জায়গা দেখতে সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ রেলের উপ মহাপরিচালক মিয়াজাহান সহ ৭সদস্যের পতিনিধিদল বেনাপোল রেল ষ্টেশন,এলাকা-বন্দর ও বাইপাস সড়ক,ট্রেনশিপমেন্ট,চেকপোষ্ট নোম্যান্সল্যান্ড এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বেনাপোল বন্দরব্যাবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের দর্ঘিদিনের দাবীর মুখে,বেনাপোলে চালু হচ্ছে কার্গো। রেল ষ্টেশন এলাকায় নির্মিত হবে রেলকার্গো গোডাউন। ফলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বানিজ্যে যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। বন্দরেই খালাস হবে ভারত থেকে আমদানিকৃত পন্য। ফলে দ্রুত সময়ে কম খরচে বেশী মালামাল খালাস নিতে পারবে ব্যাবসায়িরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল কাষ্টম সহকারি কমিশনার উত্তম কুমার চাকমা,বন্দর উপ পরিচালক মামুন তরফদার,রেল পাকসি বিভাগীয় ম্যানেজার আসাদুল হক,বানিজ্য কর্মকর্তা-ফুয়াদ হোসেন, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজনসহ বন্দর ব্যাবহারকারী ব্যাবসায়ি নেতারা।
বাংলাদেশ ভারত চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন,দেশের বৃহৎ একটি রাজস্ব আয় হয় বেনাপোল থেকে। বিভিন্ন পন্য আমদানি রফতানি হচ্ছে এ বন্দর দিয়ে। তবে মালামাল আনা নেওয়াকালে হয়রানি সময় ক্ষেপন,পন্যজট সহ বিভিন্ন সমস্যা ছিলে বেনাপোলের নিত্যনৈমিত্তিব ব্যাপার। ফলে অনেক ব্যাবসায়ি অন্য বন্দর ব্যাবহার করতে শুরু করে। কমে যায় আমদানি রফতানি। এসব বিষয়ে বেনাপোলে ব্যাবসা বান্ধব পরিবেশ তৈরীতে দীর্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছেন তারা। দু দেশের হাইকমিশন,বানিজ্য ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করেন তারা। এর ধারাবাহিকতায় বেনাপোলে রেল কার্গো চালু একটি মাইল ফলক। সরকার সহ দু দেশের রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তারা। কার্গোরেল চালু হলে কমবে পন্যচুরি । বাচবে খরচ ও সময়। বৃদ্ধি পাবে আমদানি রফতানি ও রাজস্ব আয়।
তবে বেনাপোল বন্দর এলাকা সম্প্রসারন সহ অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবী জানান তারা।