

নিউজ ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে জমা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ৭৩১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে ৬ জন বর্তমান সংসদ-সদস্যের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়। প্রার্থিতা বাতিল হওয়া সংসদ-সদস্য হলেন বজলুল হক হারুন, মামুনুর রশিদ কিরন, মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, দিদারুল আলম, মোকাব্বির খান ও মাহী বি চৌধুরী। এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের ছাত্রনেতা শফী আহমেদ, এনবিআর-এর সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন, কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনী, অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি ও ইউটিউবার হিরো আলমের মনোনয়নও বাতিল হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপির দায়ে ১১৮ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সোমবার বিকালে মনোনয়নপত্র যাচাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিলের পর এখন বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৮৫ জনে। এ নির্বাচনে ২৭১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ইসির পরিসংখ্যান এবং যুগান্তরের ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে এসব চিত্র উঠে এসেছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঋণ ও বিল খেলাপি, অসম্পূর্ণ মনোনয়নপত্র দাখিল, হলফনামায় তথ্য গোপন বা অসত্য তথ্য প্রদান, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের এক শতাংশ ভোটারের তালিকায় ভুয়া স্বাক্ষর, দ্বৈত নাগরিকত্বসহ নানা ত্রুটির কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে অথবা যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে-উভয়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আজ থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। এজন্য নির্বাচন ভবনে ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি বুথ তৈরি করা হয়েছে। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন ১০০ জন করে আপিল শুনানি হবে। আপিল শুনানি মনিটরে দেখানো হবে। পাশাপাশি ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আপিল দায়েরে এক কপি মূল কাগজপত্রের সেট এবং ছয় কপি ফটোকপিসহ সাত সেট জমা দিতে হবে। ১৫ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে ইসি। ৩০ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। ১ ডিসেম্বর থেকে সোমবার পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি চলবে আজ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। ওইদিন থেকে শুরু হয়ে নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।
ঢাকা : ঢাকার ২০টি আসনে ৯০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ও ৬ জনের স্থগিত করা হয়। ঢাকা-৯ বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মো. সাদ ভূইয়া, তৃণমূল বিএনপির রুবিনা আক্তার রুবি। ঢাকা-১০ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির কেএম শামসুল আলম, স্বতন্ত্র শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাহরিয়ার ইফতেখার, তৃণমূল বিএনপির শাহানুর রহমান, স্বতন্ত্র শেখ মো. রবিউল ইসলাম, স্বতন্ত্র মো. শরিফুল হাসান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির এইচএম মাসুম বিল্লাহ, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. বাহারানে সুলতান বাহার। ঢাকা-১১ স্বতন্ত্র ছরোয়ার হোসেন। ঢাকা-১২ জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খুশু ও স্বতন্ত্র ছাবিনা।
ঢাকা-১৩ গণফ্রন্টের মো. সেকান্দার আলী মনি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. শাহাবুদ্দিন, জাকের পার্টির মো. হায়দার আলী, স্বতন্ত্র রাজু আহমেদ, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. জাহাঙ্গীর কামাল ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. জাফর ইকবাল নান্টু। ঢাকা-১৪ মুক্তিজোটের মো. আসিফ হোসেন, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ, স্বতন্ত্র জেডআই রাসেল, স্বতন্ত্র কাজী ফরিদুল হক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের খাজা মঈন উদ্দিন, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ এমরুল কায়েস খান, স্বতন্ত্র মো. লুৎফর রহমান, তৃণমূল বিএনপির মো. নাজমুল ইসলাম। ঢাকা-১৬ বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. তৌহিদুল ইসলাম। ঢাকা-১৭ স্বতন্ত্র মাসুম খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আখলাকুর রহমান, স্বতন্ত্র এসএম তোফাজ্জল হোসেন ও তৃণমূল বিএনপির মো. সিরাজুল ইসলাম, ঢাকা-১৮ স্বতন্ত্র ড. মো. জাফর ইকবাল, তৃণমূল বিএনপির মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. সিদ্দিকুর রহমান, স্বতন্ত্র মো. বশির উদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. আনিসুর রহমান, জেডেপি ফাহমিদা হক সুকন্যা। ঢাকা-৪ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, স্বতন্ত্র মো. আলম, স্বতন্ত্র মো. আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. কবির হোসেন। ঢাকা-৫ বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের এসএম লিটন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. জাকির হোসেন, মুক্তিজোটের মওদুদ আহমদ, স্বতন্ত্র এসএম আরিফুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মজিবর রহমান, স্বতন্ত্র মো. গিয়াস উদ্দিন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. নুরুল আমিন, স্বতন্ত্র মো. কামরুল হাসান ও স্বতন্ত্র নাজিয়া হাসান। ঢাকা-৬ স্বতন্ত্র ফারহানা সাঈদ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. হানিফ দিহিদার। ঢাকা-৭ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের মো. ইদ্রিস বেপারী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের নুরজাহান বেগম, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান, তৃণমূল বিএনপির সৈয়দা নুরুন নাহার ও স্বতন্ত্র মো. আসলাম। ঢাকা-৮ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মো. মহিবুল্লা, স্বতন্ত্র ফরিদা আক্তার, ইসলামী ঐক্যজোটের আবু নোমান মো. জিয়াউল হক মজুমদার ও স্বতন্ত্র তাজুল ইসলাম মজুমদার। ঢাকা-১ স্থগিত মুক্তিজোটের আব্দুর রহিম ও ন্যাশনাল পিপলস পাটির আব্দুল হাকিম। ঢাকা-২ বতিল ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আশরাফ আলী জিহাদী ও স্বতন্ত্র হাবিবুর রহমান। স্থগিত জাকের পার্টির আবুল কালাম। ঢাকা-৩ বাতিল স্বতন্ত্র আলী রেজা, তরিকত ফেডারেশনের আব্দুল কুদ্দুস মিয়া ও স্বতন্ত্র মো. ফারুক। ঢাকা-১৯ বাতিল জাতীয় পার্টির বাহাদুর ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মো. জুলহাস, বিএনএমের সাইফুল ইসলাম মেম্বার ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি আইরীন পারভীন। স্থগিত জাতীয় পার্টির আবুল কালাম আজাদ ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইসরাফিল হোসেন। ঢাকা-২০ বাতিল মুক্তিজোটের মো. আমিনুর রহমান ও বাংলাদেশ কংগ্রেস আরজু মিয়া। স্থগিত বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মো. মিনহাজ উদ্দিন।
বরিশাল : বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. শাম্মী আহম্মেদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এর আগে ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ-সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা পংকজ দেবনাথ অভিযোগ করেন, ড. শাম্মী একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিক। এ জেলায় আরও ৯ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন বরিশাল-১-এ জাকের পার্টির রিয়াজ মোর্শেদ জামান খান, বরিশাল-২ বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিরাজ খান, জাতীয় পার্টি-জেপির ব্যারিস্টার আলবার্ট বাড়ৈ, বরিশাল-৪ বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আসাদুজ্জামান, বরিশাল-৬ বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুমায়ুন কবির, স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুল আলম, জাকির খান সাগর, শাহরিয়ার মিঞা ও নুর এ আলম সিকদার।
নাটোর, বাগাতিপাড়া ও গুরুদাসপুর : ৪ আসনে ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল। তারা হলেন নাটোর-১ মোয়াজ্জেম হোসেন (জাসদ), হুমায়ুন কবির (আ.লীগ স্বতন্ত্র), আলোচিত গ্রামপুলিশ এসকেন আলী (আ.লীগ স্বতন্ত্র), কর্নেল (অব.) রমজান আলী (আ.লীগ স্বতন্ত্র) ও সায়েদুল হক (স্বতন্ত্র)। নাটোর-২ স্বতন্ত্র কোরবান আলী। নাটোর-৩ প্রকৌশলী আনিসুর রহমান (জাপা), আব্দুল্লাহ আল মামুন (স্বতন্ত্র), রুস্তম আলী (সুপ্রিম পার্টি) ও শামসুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)। নাটোর-৪ জাতীয় পার্টি জেপির এসএম সেলিম রেজা ও স্বতন্ত্র সুজন আহমেদ।
লক্ষ্মীপুর : ঋণখেলাপির অভিযোগে বর্তমান সংসদ-সদস্য ও বিকল্প ধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান (লক্ষ্মীপুর-৪) এবং সজিব গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ হাসেমের (লক্ষ্মীপুর-৩) মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। দুই আসনে আরও ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন লক্ষ্মীপুর-৩ মনীন্দ্র কুমার নাথ (স্বতন্ত্র), বেলায়েত হোসেন বেলাল (আ.লীগ স্বতন্ত্র) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির রিয়াদ হোসাইন। লক্ষ্মীপুর-৪-এ স্বতন্ত্র আব্দুস সাত্তার পালোয়ান ও মাহবুবুর রহমান। এছাড়া লক্ষ্মীপুর-৩-এ তিনজনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
রাজবাড়ী : দুই আসনে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল। তারা হলেন রাজবাড়ী-১ স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হক বিশ্বাস, স্বপন কুমার সরকার, মান্নান মুসল্লী, আশিশ আকবর সুবিড়। রাজবাড়ী-২ স্বতন্ত্র নূরে আলম সিদ্দিকী হক, মুক্তিজোটের মো. আব্দুল মালেক মন্ডল ও তৃণমূল বিএনপির এসএম ফজলুল হক।
চাঁদপুর ও কচুয়া : জেলার পাঁচ আসনে ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল। তারা হলেন চাঁদপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেনসহ পাঁচ জনের মনোনয়ন বাতিল। অন্যরা হলেন স্বতন্ত্র রাহাত চৌধুরী, শওকত হোসেন মিঞা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের জামাল হোসাইন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. সেলিম প্রধান। এছাড়া চাঁদপুর-২ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. শাহ আলম সরকার, চাঁদপুর-৪ জাতীয় পার্টির সাজ্জাদ রশিদ ও তৃণমূল বিএনপির মোহাম্মদ সেলিম এবং চাঁদপুর-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাকির হোসেন প্রধানিয়া, জাসদের মো. মনির হোসেন মজুমদার ও বাংলাদেশ সংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আখতার হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল।
শেরপুর : ৩ আসনে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল। তারা হলেন-শেরপুর-১ জাতীয় পার্টির মো. ইলিয়াছ উদ্দিন ও স্বতন্ত্র মোখলেসুর রহমান আকন্দ, শেরপুর-২ তৃণমূল বিএনপির জায়েদুর রশিদ শ্যামল ও শেরপুর-৩ স্বতন্ত্র মিজানুর রহমান রাজা, এইচএম ইকবাল হুসাইন অন্তর ও মোহসিনুল বারী রুমী।
চুয়াডাঙ্গা : দুটি আসনে সাতজনের মনোনয়ন বাতিল। তারা হলেন চুয়াডাঙ্গা-১-এ তৃণমূল বিএনপির তাইজাল হোসেন, স্বতন্ত্র আফরোজা পারভীন ও শেখ সামসুল আবেদীন এবং চুয়াডাঙ্গা-২-এ স্বতন্ত্র মীর্জা শাহরিয়ার মাহমুদ, নূর হাকিম, নজরুল মল্লিক ও আব্দুল মালেক মোল্লা।
জামালপুর : দুটি আসনে আরও ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল। তারা হলেন জামালপুর-৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন বাদশা ও বিএনএফের তারিখ মাহাদির, জামালপুর-৫ আওয়ামী লীগের প্রার্থী দাবি করা ইঞ্জিনিয়ার মো. আলী, স্বতন্ত্র জাকির হোসেন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের দাবি করা আব্দুল করিম সরকার।
খুলনা : দুটি আসনে আরও ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল। তারা হলেন খুলনা-১-এ জাকের পার্টির মো. আজিজুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রশান্ত কুমার রায় ও শেখ আবেদ আলী, খুলনা-২-এ ইসলামী ঐক্যজোটের হিদায়েতুল্লাহ এবং খুলনা-৩-এ স্বতন্ত্র প্রার্থী কাইজার আহমেদ ও ফাতেমা জামান সাথী।
কিশোরগঞ্জ : তিনটি আসনে আরও ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল এবং ৮ জনের স্থগিত করা হয়েছে। তারা হলেন কিশোরগঞ্জ-৪ ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা শেরজাহান মোমেন, কিশোরগঞ্জ-৫ স্বতন্ত্র প্রার্থী সুব্রত পাল, কিশোরগঞ্জ-৬ বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মোহাম্মদ আয়ুব হোসেন ও স্বতন্ত্র মো. শাহাবুদ্দীন।
কক্সবাজার : জেলায় আরও ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল। তারা হলেন কক্সবাজার-৩-এ স্বতন্ত্র আবদুল মজিদ ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির শামীম আহসান এবং কক্সবাজার-৪ স্বতন্ত্র মোহাম্মদ ইসহাক, সোহেল আহমদ বাহাদুর ও মো. নুরুল বশর।
ঝিনাইদহ : দুটি আসনে আরও ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন ঝিনাইদহ-১-এ স্বতন্ত্র শিহাবুজ্জামান ও আবু বক্কর (বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট), ঝিনাইদহ-২ নজরুল ইসলাম (বিএসপি), শরীফ মোহাম্মদ বদরুল হায়দার (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট) ও ঝিনাইদহ-৪-এ জাকের পার্টির মো. ইছাক আলী বিশ্বাস।
নওগাঁ : ছয়টি আসনে ২২ জনের মনোনয়ন বাতিল। তারা হলেন নওগাঁ-১ আসনে স্বতন্ত্র খালেকুজ্জামান তোতা ও সোহরাব হোসেন, নওগাঁ-২ স্বতন্ত্র আইয়ুব হোসেন, আমিনুল হক, এইচএম আখতারুল আলম, কাজল চন্দ্র দাস, আজিজার রহমান ও মেজবাহুল আলম। নওগাঁ-৩ স্বতন্ত্র শামীনুর রহমান ওরফে চিকন আলী, ডিএম মাহবুব-উল মান্নাফ, বিএনএমের জাবেদ আলী, এনপিপির স্বপন কুমার দাস ও স্বতন্ত্র ফিরোজ হোসেন। নওগাঁ-৪ বাংলাদেশ কংগ্রেসের কামাল পারভেজ, স্বতন্ত্র আফজাল হোসেন, আব্দুস সামাদ ও জিয়াউল হক। নওগাঁ-৫ এনপিপির খন্দকার আমিনুর রহমান (ফ্রবেল), নওগাঁ-৬ স্বতন্ত্র নাহিদ ইসলাম (বিপ্লব), এমএ রতন, শাহজালাল হোসেন, এনপিপির খন্দকার ইন্তেখাব আলম।
চট্টগ্রাম : দুটি আসনে আরও ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন চট্টগ্রাম-১২ আসনে স্বতন্ত্র ইলিয়াস মিয়া, গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের সৈয়দ মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন। চট্টগ্রাম-১০ স্বতন্ত্র ফরিদ মাহমুদ, মো. ওসমান গনি ও ফয়সাল আমীন এবং বিএনএফের মঞ্জুরুল ইসলাম। এছাড়া জেলার তিনটি আসনে তিনজনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
মাদারীপুর : মাদারীপুর-২ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির ইউসুফ আলি সুমন ও জাতীয় পার্টির একেএম নুুরুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
বাগেরহাট ও মোরেলগঞ্জ : বাগেরহাট-৩ আসনে স্বতন্ত্র শেখ নিজাম উদ্দিন ও বাগেরহাট-৪-এ মো. জামিল হোসেনের মনোনয়ন বাতিল।
গাইবান্ধা : জেলার ৫টি আসনে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল।
ফরিদপুর : দুই আসনে তিনজনের বাতিল এবং একজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ফরিদপুর-৩ (সদর) বাতিল স্বতন্ত্র ফারুক হোসেন, বিএনএমের গোলাম রব্বানী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আব্দুল আউয়াল মিয়া। ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন) স্থগিত জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন।
পাবনা : পাবনা-২ আব্দুল আজিজ খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বগুড়া : সাতটি আসনে ২৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন বগুড়া-৫ জাতীয় পার্টির প্রার্থী ওমর ফারুক ও এনপিপির আবদুন নূর। বগুড়া-৬ জাসদের ইমদাদুল হক ইমদাদ, স্বতন্ত্র মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নয়ন রায়। বগুড়া-৭ জাতীয় পার্টি (জেপি) রাকিব হাসান, স্বতন্ত্র নজরুল ইসলাম মিলন, আতাউর রহমান, আমজাদ হোসেন, আসাফুদ্দৌলা সরকার, ছারোয়ার হোসেন, জুলফিকার আলী, মানিকুর রহমান, মেজবাউল আলম, আমিনুল ইসলাম, মোস্তাফিজার রহমান মিলু ও জহুরুল ইসলাম। বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইবনে সাফি বিন হাবীব। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইউনুস আলী। বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) অজয় কুমার সরকার (আ.লীগ নেতা), আফজাল হোসেন, এরশাদুল হক (আ.লীগ নেতা), জাকারিয়া হোসেন, জামিরুল রশীদ তালুকদার (আ.লীগ সমর্থক) ও ফেরদৌস স্বাধীন তালুকদার। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) বাতিল ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মনোয়ার জাহিদ ও তৃণমূল বিএনপির জালাল উদ্দিন।
নরসিংদী : চারটি আসনে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন নরসিংদী-১ (সদর) স্বতন্ত্র মো. আক্তারুজ্জামান, নরসিংদী-৩ (শিবপুর) স্বতন্ত্র মাসুম মৃধা। নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) বাংলাদেশ কংগ্রেসের হারুন অর রশিদ। নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্টের বিটু মিয়া।
নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জ : চারটি আসনে সাতজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. আফাজ উদ্দিন মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) স্বতস্ত্র জিকে মামুন দিদার, স্বতন্ত্র মো. শরীফুর ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) জাকের পার্টির জামিল মিজি ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. সিরাজুল হক। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) স্বতন্ত্র মো. রাশেদুল ইসলাম ও কাজী দেলোয়ার হোসেন।
কুষ্টিয়া : চারটি আসনে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ফিরোজ আল মামুন ও নাজমুল হুদা পটল, এনপিপির ফজলুল হক এবং স্বতন্ত্র ফারুক হোসেন। কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) সৈয়দ কামরুল আরেফিন (স্বতন্ত্র), সাম্যবাদী দলের আনোয়ার হোসেন, এনপিপির এজেএম শহিদুজ্জামান, ডা. ইফতেখার মাহমুদ (স্বতন্ত্র) ও বিএনএমের শেখ আরিফুর রহমান। কুষ্টিয়ার-৩ (সদর) রাকিবুজ্জামান সেতু (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টির নাফিজ আহমেদ খান টিটু, তরিকত ফেডারেশনের মেহেদী হাসান রিজভী ও বিএনএমের মোস্তফা কামাল মারুফ। কুষ্টিয়া-৪ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র আব্দুর রউফ, খাইরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ও জাকের পার্টির ফারুক হোসেন।
ভোলা : ভোলা-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
ফেনী : তিনটি আসনে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন ফেনী-১ (পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া) জাতীয় পার্টির শাহরিয়ার ইকবাল পাটোয়ারী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আনোয়ার কামরান মোর্শেদ, স্বতন্ত্র মো. আলমগীর আলম, আবদুর রউফ, মিজানুল হক, তাজুল ইসলাম মজুমদার, মো. ফখরুল ইসলাম মজুমদার ও আবুল হাশেম। ফেনী-২ (সদর) বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মাহবুব মোর্শেদ ও স্বতন্ত্র আনোয়ারুল করিম ফারুক। ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) স্বতন্ত্র ইসতিয়াক আহমেদ সৈকত, স্বতন্ত্র আবদুল কাশেম আজাদ, স্বতন্ত্র আনোয়ারুল কবির (রিন্টু আনোয়ার), সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের জোবায়ের ইবনে সুফিয়ান, স্বতন্ত্র জেডএম কামরুল আনাম, স্বতন্ত্র পারভীন আক্তার, তৃণমূল বিএনপির আজিম উদ্দিন আহমেদ।
কুমিল্লা : ছয় আসনে ২৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন-কুমিল্লা-৬ বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাসানুল আলম। কুমিল্লা-৭ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র মোস্তাকিম আশরাফ টিটু, স্বতন্ত্র আব্দুল হান্নান, জাহাঙ্গীর আলম, জাকের পার্টির সহিদুল ইসলাম। কুমিল্লা-৮ জাতীয় পার্টির এইচএমএম ইরফান, ওয়াকার্স পার্টির আহসান উল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. হান্নান মিয়া, ইসলামী ফ্রন্টের মাসউদ আলম, স্বতন্ত্র সোহেল আলম, তাহমিনা চৌধুরী, তরিকত ফেডারেশনের রেজাউল হক, গণফ্রন্টের দুলাল মিয়া। কুমিল্লা-৯ জাকের পার্টির অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান, বিএনএমের মোহাম্মদ হাসান মিয়া, জাসদের মনিরুল আনোয়ার। কুমিল্লা-১০ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র এম অহিদুর রহমান, তৃণমূল বিএনপির আবুল কাশেম মজুমদার, জাকের পার্টির জাহাঙ্গীর আলম, গণফোরামের সহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. কামরুজ্জামান। কুমিল্লা-১১ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র এম তমিজ উদ্দিন ভূঁইয়া, আব্দুস সাত্তার মজুমদার, গণফোরামের আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর, বিএনএফের জসিম উদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. নিজাম উদ্দিন, স্বতন্ত্র মাহমুদুর রহমান খোকন।
কুমিল্লা : ছয় আসনে ২৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন-কুমিল্লা-৬ বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাসানুল আলম। কুমিল্লা-৭ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র মোস্তাকিম আশরাফ টিটু, স্বতন্ত্র আব্দুল হান্নান, জাহাঙ্গীর আলম, জাকের পার্টির সহিদুল ইসলাম। কুমিল্লা-৮ জাতীয় পার্টির এইচএমএম ইরফান, ওয়ার্কার্স পার্টির আহসান উল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. হান্নান মিয়া, ইসলামী ফ্রন্টের মাসউদ আলম, স্বতন্ত্র সোহেল আলম, তাহমিনা চৌধুরী, তরিকত ফেডারেশনের রেজাউল হক, গণফ্রন্টের দুলাল মিয়া। কুমিল্লা-৯ জাকের পার্টির অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান, বিএনএমের মোহাম্মদ হাসান মিয়া, জাসদের মনিরুল আনোয়ার। কুমিল্লা-১০ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র এম অহিদুর রহমান, তৃণমূল বিএনপির আবুল কাশেম মজুমদার, জাকের পার্টির জাহাঙ্গীর আলম, গণফোরামের সহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. কামরুজ্জামান। কুমিল্লা-১১ আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র এম তমিজ উদ্দিন ভূঁইয়া, আব্দুস সাত্তার মজুমদার, গণফোরামের আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর, বিএনএফের জসিম উদ্দিন, স্বতন্ত্র মো. নিজাম উদ্দিন, স্বতন্ত্র মাহমুদুর রহমান খোকন।