

ধর্ম:গোটা বিশ্বজগতে আল্লাহতায়ালা যাকে সবচেয়ে উন্নত ও মহান গুণাবলী ও অনন্য বৈশিষ্ট্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তিনি হলেন শ্রেষ্ঠনবী ও বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা.)।
যার প্রশংসায় স্বয়ং আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় তোমাদেরই মাঝ থেকে এক রাসুল তোমাদের কাছে এসেছে। তোমাদের কষ্ট ভোগ করা তার কাছে অসহনীয় এবং তিনি তোমাদের কল্যাণের পরম আকাঙ্ক্ষী। তিনি মুমিনদের প্রতি অতি মমতাশীল ও বার বার কৃপাকারী’ (সুরা আত তাওবা, আয়াত: ১২৭)। এটি সেই গুণ এবং আদর্শ যার ভিত্তিতে তার মাঝে বিনয়, নম্রতা এবং প্রতিশোধের পরিবর্তে মার্জনা এবং উপেক্ষা করার বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়েছে। এটিই সেই দারিদ্রতার মাঝেও গৌরবের পরিচয়, তিনি এক ব্যক্তিকে যে মহানবীর (সা.) প্রভাব ও শক্তির ভয়ে ভীত হয়ে কাঁপছিল, সেসময় মহানবী (সা.) তাকে বলেন, এত ভয় পেও না, আমি তো এমন এক মায়ের সন্তান যিনি শুকনো মাংশের টুকরো খেতেন। এটিই সেই সহানুভূতি আর দয়া যার ফলে তিনি (সা.) একজন শ্রমিকের ঘর্মাক্ত শরীর জড়িয়ে ধরেন আর দারিদ্র ও কষ্টের জীবন বেছে নেন আর দোয়া করেন, আল্লাহ যেন তাকে দরিদ্র এবং অসহায়দের সাথে রাখেন আর তাদের মধ্য হতেই উত্থিত করেন। আর এটি সেই মহান বৈশিষ্ট্য যার ভিত্তিতে তিনি (সা.) বলেছেন, আমাকে বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করো না আমার উপাধি ‘আবদ’। আর এভাবে এই পার্থিব জগতের আকর্ষণ ও আকাঙ্ক্ষার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেন। হে আমার আল্লাহ! শান্তি, আশিস ও কল্যাণ বর্ষণ কর মুহাম্মদ (সা.) এবং তার বংশধরদের প্রতি, নিশ্চয় তুমি মহা প্রশংসিত ও মর্যাদাবান।