বেনাপোলে ইমগ্রেশন এলাকায় দুপারের শতাধিক যাত্রী দুর্ভোগে

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code

এম এ রহিম,বেনাপোল:-
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সোমবার সকাল থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। তবে করোনা সু রক্ষা মেনেই চলছে আমদানি-রফতানি বানিজ্য। প্রবেশ মুখে ভারত থেকে আসা ড্রাইভার ও হেলপারদে শরীরের তামমাত্রা দেখেই দেওয়া হচ্ছে প্রবেশের অনুমতি। পন্যবাহি ট্রাকে জীবনু নাশক ছিটানো হচ্ছে। তবে ভারত ফেরা যাত্রীদের কোয়ারেনটাই মানা হচ্ছেনা। সরকার নির্দেশনা মানছেনা বেনাপোলে কর্মরত সংশ্লিষ্টরা। গত ৭দিনে ভারত ফেরা ৩৬জন পাসপোর্ট যাত্রীকে বেনাপোলের হোটেল রজনী গন্ধায় রাখা হলেও বিশেষ কারনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাদের। গতকাল রবিবার ভারত থেকে ফেরা ৮জন যাত্রীকে রাখা হয়েছে হোটেলে। নিজ খরছে হোটেলের কোয়ারেন টাইনে থাকবেন বলে জানান স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।
আটকা পড়া যাত্রীরা জানান দুর্ভোগের কথা অনেক রোগীর পথ্য ও চিকিৎসা নিয়ে শংশয় প্রকাশ করছেন তারা। বাড়ীতে হোম কোয়ারেনটাইনে সরকারের সহযোগিতা চান ভারত ফেরা অসুস্থ্য রোগী ও স্বজনেরা।
রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে সীমান্ত বন্ধের নির্দেশনা আসে ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট সহ সংশ্লিষ্ট দফতরে। এর পরই সোমবার থেকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার সকাল থেকে ভারত ও বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীরা বেনাপোলে এসে পড়েন দুর্ভোগে। বন্ধের নির্দেশনা না জানায় দু পার সীমান্তে দু শতাধিক যাত্রী ও স্বজনেরা রয়েছেন অসহনীয় কষ্টে। সকাল থেকে বেনাপোলে আটকা পড়েছে কাশ্মিরের ৮ নাগরিক।
বেনাপোল পৌর সেনিটারী পরিদর্শক-মোছা: রাশিদা বেগম- ও ডা: ইউছুপ আলম জানান,গত ১৯এপ্রিল থেকে২৫এপ্রিল পর্যন্ত ভাবত থেকে ফেরা যাত্রীদের রাখা হয়েছে হোটেল রজনী গন্ধায়। করোনা নেগেটিভ হওয়ায় ২৮জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ীতে হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন তারা। কোয়ারেনটাইনে থাকা ৮জনের বিভিন্ন বিষয়ে খোজ খবর রাখছেন তারা দিচ্ছেন সহযোগিতা।
করেনা সু রক্ষা মেনে আসছেন ভারতীয়তরা। তবে যাত্রী যাতায়াত বন্ধে কষ্টে ইমিগ্রেশন এলাকায় কর্মরত শ্রমিকেরা। সরকারি সহযোগিতা চান তারা

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code