ব্রিটেনে শুল্কমুক্ত সুবিধা: রুশনারা ও রুপাকে পাশে চায় বিজিএমইএ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

লন্ডন ডেস্কঃ 

Manual5 Ad Code

রোববার লন্ডনে এক বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান রুশনারা আলী এবং রুপা হকের কাছে এই সহায়তা চেয়েছেন বলে বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।বৈঠকে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ রাজনীতিবিদরাও উপস্থিত ছিলেন। ফারুক হাসান বাংলাদেশের উন্নয়নে অনাবাসী বাংলাদেশীদেরকে (এনআরবি) যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শুল্ক্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়ে থাকে। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, এলডিসি থেকে উন্নয়নশীর দেশের তালিকায় উন্নীত হওয়ায় ২০২৬ সালের পর বাংলাদেশের আর এই সুবিধা পাওয়ার কথা নয়।
বাংলাদেশ সরকার ও পোশাক শিল্প মালিকরা এই সুবিধা অব্যাহত রাখতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সে ব্যাপারেই বাংলাদেশি বংশদ্ভুত দুই এমপি রুশনারা আলী এবং রুপা হকের সহযোগিতা চেয়েছে বিজিএমইএ।
বৈঠকে এলডিসি থেকে উত্তরণ, শূল্ক ব্যবস্থায় সম্ভাব্য পরিবর্তন এবং এলডিসি পরবর্তী যুগে কিভাবে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের বাজারে তার প্রশোধিকার ধরে রাখতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তোরনের পরও বাংলাদেশের জন্য যেন শূল্ক সুবিধা অব্যাহত থাকে, সে বিষয়ে সহযোগিতা ও সমর্থন প্রদানের জন্য রুশনারা আলী এবং রুপা হককে অনুরোধ জানান।
জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গাজায় আর্থিক সহায়তা বিতরণ ≣ [১] কোয়ারেন্টাইনে না থাকার দাবিতে শাহজালালে লেবানন ফেরত যাত্রী ও স্বজনদের বিক্ষোভ ≣ নারী উদ্যোক্তা এক দশকে বেড়েছে ১২৬ শতাংশ
তিনি বলেন, অনাবাসী বাংলাদেশীরা দক্ষতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, জ্ঞান এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে তরান্বিত করার ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রাখতে পারেন।
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মধ্যে অনেকেই ওই দেশে সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। আবার অনেকেই রাজনীতিবিদ এবং সংসদ সদস্য হিসেবে সরকারের উপর ব্যাপক প্রভাব রাখেন। পাশাপাশি, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী অভিবাসী শিক্ষাবিদ, গবেষক, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং অন্যান্য মর্যাদাপূর্ন পদে আসীন রয়েছেন।
বিজিএমইএ সভাপতি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশীদের উচ্চ মূল্য সংযোজিত পণ্য এবং নন-কটন টেক্সটাইলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের জন্য যুক্তরাজ্যের দুই সংসদ সদস্যকে অনুরোধ জানান।
ফারুক হাসান যুক্তরাজ্যের এমপিদেরকে নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং সামাজিক কমপ্লায়েন্স প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে যে দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতি হয়েছে সে বিষয়েও অবহিত করেন।
বাংলাদেশের ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নীত হওয়ার কথা ছিল। জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি (ইউএনসিডিপি) নির্ধারণ করে কোন দেশ এই তালিকায় থাকবে। মহামারি করোনার পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে এই সময়সীমা পিছিয়ে ২০২৬ সালে নিয়েছে ইউএনসিডিপি।
বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর কোন দেশের পণ্য আর শুল্ক্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধার আওতায় থাকে না। সে হিসেবে ২০২৬ সালের পর যুক্তরাজ্যে পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক্কমুক্ত সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। বর্তমানে অন্যান্য উন্নত দেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাজারেও পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক্কমুক্ত সুবিধা রয়েছে।যুক্তরাজ্যে বছরে গড়ে ৩৫০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code