ভারতে প্রাণহানি লাখের দোরগোড়ায়

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:

গত একমাস ধরে করোনার বর্তমান প্রাণকেন্দ্র ভারতে প্রতিদিনই হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। এতে করে মৃতের সংখ্যা লাখের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। থেমে নেই সংক্রমণও। যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ লাখ মানুষের দেহে শনাক্ত হয়েছে ভাইরাসটি। তবে আশা জাগাচ্ছে সুস্থতা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে আক্রান্তদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ রোগী সুস্থতা লাভ করেছেন।

Manual8 Ad Code

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮১ হাজার ৪৮৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, গত একদিনে প্রাণহানি ঘটেছে ১ হাজার ৯৫ জনের। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৯৯ হাজার ৭৭৩ জনের মৃত্যু হলো করোনায়। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭ কোটি ৬৭ লাখ ১৭ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১১ লাখ।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সর্বাধিক সংক্রমণ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। তারপরেই, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, দিল্লি, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক এবং তেলেঙ্গানা। বিশ্ব তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করোনাক্রান্ত দেশ হলো ভারত।

এদিকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ হাজার মানুষের।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশে করোনার শিকার ৭ লাখের বেশি মানুষ। তবে, প্রাণহানি কিছুটা কম এখানে। যার সংখ্যা ৫ হাজার ৮৬৯ জন।

তিনে থাকা তামিলনাড়ুতে মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ৫৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে আজ। আর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৭ লাখ ৩  হাজারের বেশি।

Manual3 Ad Code

চারে থাকা কর্ণাটকে করোনার ভুক্তভোগী ৬ লাখের অধিক মানুষ। যেখানে প্রাণহানি ৮ হাজার ৯৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

Manual4 Ad Code

উত্তর প্রদেশে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে আজ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সেখানে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে ভুগে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ হাজার ৮৬৪ জন মানুষ।

আর রাজধানী দিল্লিতে করোনা হানা দিয়েছে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৮২ হাজারের বেশি মানুষের দেহে। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ হাজার ৪০১ জন ভুক্তভোগী। বর্তমানে সেখানে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনার দাপট।

সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে প্রথমদিকে সামাজিক দূরত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন লকডাউনের কড়াকড়ি নেই। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ায় হাটবাজার, গণপরিবহনে বেড়েছে লোকের ভিড়। বেড়েছে একে অপরের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাও। তাই, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতা লাভ করেছেন ৭৮ হাজার ৮৮৭ জন রোগী। এতে করে বেঁচে ফেরার সংখ্যা বেড়ে ৫৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮ জনে পৌঁছেছে। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা কমে ৯ লাখ ৪২ হাজার ২১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code