

বিশেষ প্রতিবেদন: মালয়েশিয়া শুধু কর্মসংস্থানের জন্যই নয়, দেশটিতে নানা আয়োজন আছে পর্যটকদের জন্য। পর্যটনকে প্রধান আয়ের উৎস করার লক্ষ্যে কাজ করছে মালয়েশিয়া সরকার, নিয়েছে নানা পদক্ষেপ। ভিসা জটিলতার কারণে আগ্রহ থাকলেও বাংলাদেশিদের মালয়েশিয়া ভ্রমণের হার ছিল কম। বাংলাদেশ থেকে বছরে ১ লাখ ২০ হাজার পর্যটকের টার্গেট নির্ধারণ করেছে দেশটি। এ কারণে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা সহজ করছে মালয়েশিয়া।
এশিয়ায় নিজেদেরকে প্রধান পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরতে চায় মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়ার সব চেয়ে বেশি পর্যটক আসে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সাউথ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন থেকে। বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ মালয়েশিয়ায় যান কাজের উদ্দেশ্যে। অনেকেই ভিজিট ভিসায় (পর্যটন) গিয়ে সেখানে অবৈধভাবে থেকে যান বলে অভিযোগ আছে। এ কারণে বাংলাদেশিদের ভিজিট ভিসা দেওয়ার হার ছিল কম। তবে এসব চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের পর্যটক টানতেও আগ্রহী দেশটি।
করোনা ভাইরাসের মহামারি সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। মানুষের চলাচল বন্ধ থাকায়, ভ্রমণকারী না থাকায়— পর্যটন শিল্প সবার আগে ক্ষতির মুখোমুখি হয়। মালয়েশিয়াও এর ব্যতিক্রম নয়। পর্যটন শিল্প হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটির জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। হোটেল, ট্যুর অপারেটর, খাদ্য ও পানীয় তথা রেস্তোরাঁ, থিম পার্কসহ পর্যটন-সংশ্লিষ্ট খাতগুলো বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। করোনার পর ফের বাজার দখল করতে তৎপর হয়েছে মালয়েশিয়া।
দেশটির পর্যটন খাতের স্টেকহোল্ডাদের মতামতের ভিত্তিতে ‘মার্কেটিং প্ল্যান ২০২২-২০২৬’ প্রণয়ন করেছে দেশটির ট্যুরিজম প্রমোশন বোর্ড। মার্কেটিং কৌশল ও পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশটির ট্যুরিজম প্রমোশন বোর্ড পুরনো বাজারে প্রচারণার পাশাপাশি নতুন নতুন বাজার সৃষ্টিতে কাজ করছে। বিভিন্ন দেশের ট্যুর অপারেটর, এজেন্সি, পর্যটন সাংবাদিক, ব্লগারদের জন্য আয়োজন করছে ফ্যাম ট্রিপ, মেলাসহ নানা আয়োজন।