ভিসা হলেও যে দুই দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে লাগবে ১৫ হাজার ডলার জামানত

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৮ মাস আগে

Manual3 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্র সরকার পর্যটন বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত আদায়ের একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। জাম্বিয়া ও মালাবির ভ্রমণকারীরা এ নীতির প্রথম নিশানা হবেন বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গত মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১২ মাস মেয়াদি এই পাইলট প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হল এমন দেশগুলোর নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণ করা, যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত সময়ের বেশি থাকার হার বেশি বা যেসব দেশের নিরাপত্তা যাচাই ব্যবস্থা দুর্বল। এই কর্মসূচি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ অভিবাসন রোধের এজেন্ডার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল এবং নতুন ফি চালু করেছিল ভিসাধারী দর্শনার্থীদের জন্য। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ থাকার হার বেশি, তাদেরকে এই জামানত দিতে হবে। তবে কানাডা ও মেক্সিকোর ভ্রমণকারী এবং ভিসা ওয়েভার কর্মসূচির ৪০টির বেশি দেশের নাগরিক এই নিয়ম থেকে মুক্ত থাকবেন। ভিসা ওয়েভার দেশগুলোর নাগরিকরা ৯০ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। ২০ আগস্ট থেকে শুরু হবে ১২ মাসের এই পরীক্ষামূলক কর্মসূচি, যা বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Manual6 Ad Code

জামানত হিসেবে তিনটি স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে, ৫ হাজার, ১০ হাজার ও ১৫ হাজার ডলার। পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচির সময় প্রায় ২ হাজার আবেদনকারীকে জামানত দিতে হতে পারে। গড় জামানত যদি ১০ হাজার ডলার ধরা হয়, তাহলে মোট জমা অঙ্ক দাঁড়াবে ২ কোটি ডলার। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণ করবেন কনস্যুলার কর্মকর্তারা, যারা আবেদনকারীর ভ্রমণের কারণ, চাকরি, আয়, দক্ষতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে যেমন সরকারি কর্মচারীদের ভ্রমণ বা মানবিক কারণেও জামানত মওকুফের সুযোগ থাকবে। পরবর্তী সময় আরও দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করা হতে পারে, বিশেষত যারা ‘সিটিজেনশিপ বাই ইনভেস্টমেন্ট’ কর্মসূচি পরিচালনা করে যেখানে বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেয়া হয় এবং সেখানে বসবাসের শর্ত থাকে না। এই ধরনের দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, অস্ট্রিয়া, জর্ডান, সেন্ট লুসিয়া ও তুরস্ক।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে এই ভিসা বন্ড কর্মসূচি চালু করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code