

ঢাকা ডেস্ক
নতুন প্রস্তাবিত প্রতীকের তালিকায় শাপলা রাখা হচ্ছে না। জাতীয় প্রতীক হিসেবে বিবেচনা নিয়ে এটিকে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার তপশিলভুক্ত না করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সম্প্রতি দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ইসিতে আবেদন করে। তারা প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ চেয়েছে। এনসিপির আবেদনে পছন্দের প্রতীকের তালিকায় শাপলা ছাড়াও ‘কলম’ ও ‘মোবাইল ফোন’ রাখা হয়েছে।
এর আগে নাগরিক ঐক্যও দলীয় প্রতীক শাপলা চেয়েছিল। তবে তারা পেয়েছে ‘কেটলি’। এখন নাগরিক ঐক্যও কেটলির পরিবর্তে শাপলা প্রতীক দাবি করেছে। গত ২ জুলাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে দেখা করার পর নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যখন নিবন্ধন পাই, তখন আর আমরা পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক পাইনি। এ বিবেচনায় আমরা গত ১৭ জুন প্রতীক পরিবর্তনের জন্য আবেদন করি এবং পছন্দের ক্রমে “শাপল” ও “দোয়েল” চাই।’
মোহাম্মদপুর এনসিপি নেতাকর্মীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ৯ জুলাই বুধবার রাত ৯ টায় মোহাম্মদপুর টাউন হল শহীদ পার্ক মসজিদ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে এই ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন এনসিপির নেতারা।
ইসি আব্দুর রহমানেল বলেন, সংবিধানে জাতীয় প্রতীক শাপলা ও জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে। এ দুটির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার জন্য আইন করা হয়েছে। একটা বিধিমালা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি শাপলা প্রতীকে তপশিল থাকবে না। জাতীয় প্রতীকের কারণেই মূলত এই সিদ্ধান্ত। জাতীয় প্রতীকের চিহ্ন সংবিধানে বলা রয়েছে- জাতীয় প্রতীক থাকবে পানির মধ্যে ভাসমান শাপলা, দুই ধারে ধানের শীষ। শাপলা যেহেতু জাতীয় প্রতীক, এ প্রতীকের মর্যাদা রক্ষার্থে আইন বিধি রয়েছে। সেটার আলোকে অনেক আগেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরাও এটাকে বাদ দিয়েছি প্রতীকের তালিকা থেকে। প্রতীকের বর্ধিত নতুন তালিকা আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে।
এর আগে নাগরিক ঐক্য দলীয় প্রতীক হিসেবে কেটলির পরিবর্তে শাপলা দাবি করে। একই সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) দলীয় প্রতীক হিসেবে শাপলা চেয়ে নিবন্ধন আবেদন করেছে। শাপলা জাতীয় প্রতীক হওয়ায় দলের জন্য নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে তা বরাদ্দ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন এএমএম নাসির উদ্দিন কমিশন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার ৬৯টি প্রতীক থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১১৫টি প্রতীকে দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য বরাদ্দ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় প্রতীক তালিকার তপশিল সংশোধন করে ভেটিংয়ের জন্য শিগগির আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। DESk bije