

সুদর্শন আচার্য্য মদন (নেত্রকোণা) :
নেত্রকোণা মদন উপজেলায় গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার সদর ইউনিয়নে কুলিয়াটি গ্রামে প্রয়াত সাংবাদিক শাহজাহান ভূঁইয়ার বাড়িতে নলকূপ স্থাপন করার সময় পাইপের গোড়া দিয়ে বুদবুদ আকারে ধোঁয়া গ্যাস বের হতে দেখেন নলকূপ মেকাররা। এলাকায় গ্যাসের সংবাদ শুনার পর মূহুতের মধ্যেই হাজারো উৎসুক জনতা দেখতে আসেন। নিশ্চিত হওয়ার জন্য মিস্ত্রিরা দিয়াশলাই দিয়ে দেখে আগুন জ্বলে উঠে।
এ বিষয়ে জায়গার মালিক সাংবাদিক শাহজাহান ভূঁইয়ার স্ত্রী বিলকিছ খানম একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন ১৮০ ফুট পাইপ বসাতেই আটকে যায়। তখন আর নিচে পাইপ যাচ্ছে না পরে নলকূপ মেকাররা গোবর মাঠি দিয়ে অনেক চেষ্টার পর মাটি নরম হলে ২৭০ ফুট পাইপ বসাতে সক্ষম হয়। স্থাপন শেষে বুদবুদ শব্দ হলে টিউবয়েলের মাথায় কাগজ দিয়ে মুড়িয়ে দেয় টিউবয়েল মেকার। কিছুক্ষণ পর দেখা যায় কাগজটি ফুলে যাচ্ছে তখন এলাকার উৎসক জনতা বলছে এই টিউবয়েলে গ্যাস আছে। দিয়াশলাই দিয়ে আগুন দিলেই জ্বলে উঠে। তখন থেকে পাইপের গোড়ায় শুরু একটি পাইপ বসিয়ে গ্যাসের আগুন জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে। আজ চারদিন ধরে গ্যাস দিয়ে রান্না কাজ চলছে।
নলকূপ মেকার মিলন মিয়া বলেন ২৭০ ফুট পাইপ বসাতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে । তখন থেকেই দেখি গ্যাসের বের হচ্ছে। টিউবয়েলের মাথায় কাগজ মুড়িযে দেওয়ার পরও দেখি কাগটি ফুলে যাচ্ছে তারপর দিয়াশলাই দিয়ে দেখি আগুন জ্বলে উঠে।
এ বিষয়ে সদর ্ইউপি চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান শেখ মানিক বলেন সংবাদটি শুনে আমি নিজেই দেখতে গিয়াছিলাম। আমার দাবি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই এলাকার মানুষজন অনেক লাভবান হবে।
মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ এ প্রতিনিধিকে বলেন, গ্যাসের সন্ধান পেয়েছেন এমন খবর শুনে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। বাপেক্সের জি.এম আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে শুক্রবার একটি দল ঘটনাস্থলে এসেছিল। তারা নমুনা হিসেবে ঢাকায় গ্যাস নিয়ে গেছে। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যাবে।